প্রতি সপ্তাহে একবার ক্লিনিকে ভর্তি হতে হয় ৯ বছরের শিশু শিখা মোস্তাকিন কে দির্ঘীদিন ধরে মানষিক রোগে ভূগিতেছে। বর্তমানে প্রতিদিন ২০-২৫ বার অজ্ঞান হয়ে যায়। তার মাথার অবস্থা সক্রিয় নহে। তাকে প্রায় ২ বছর ধরে চিকিৎসা করে আসছি।

রংপুরের মেডিকেল কলেজ এর সহকারী অধ্যাপক ডা : মোঃ গোলাম আজম বলেন শিখাকে বিদেশে চিকিৎসা করলে সে ভালো হবে। কিন্তু তার চিকিৎসার জন্য ৩,৫০,০০০/- টাকা প্রয়োজন। এতটাকা তার বাবার একার পক্ষে জোগার করা সম্ভব না মিজানুর রহমান এর বাড়ী ঠাকুরগাঁও জেলায় বড়গাঁও ইউনিয়নে। তিনি একজন ভূমিহীন হত দরিদ্র দিনমজুর।

তার মেয়ের  চিকিৎসা করিয়ে সর্বশান্ত হয়ে গেছে তার মেয়ের জন্য সমাজের বিত্তবান মানুষের কাছে আর্থিক সাহযোগিতা চেয়েছেন। এমন যন্ত্রণা নিয়ে প্রায় দুই বছর ধরে জীবন কাটাচ্ছে তার মেয়ে। আরও কতদিন এভাবে থাকতে হবে, তা জানে না কেউ। তার বাবা নুরুল ইসলাম একজন হত দরিদ্র ভ্যান চালকের কাজ করে জীবন নির্বাহ ও মেয়ের চিকিৎসা করানোর মত সামর্থ নেই। এখন তার বাবা ছোট্ট মেয়ের চিকিৎসা করাতে ধার-কর্জ আর বসতভিটা বিক্রি করে এবং অনেকের সহায়তায় অন্তত ২ লাখ টাকা খরচ করেছেন।

তিনি আত্মীয়-স্বজন শুভাকাঙ্খিরা বিভিন্নভাবে সহায়তা করছেন। না হলে চিকিৎসা বন্ধ হয়ে যেত। তার চিকিৎসা চালাতে আরও  ৩,৫০,০০০/- ( সাড়ে তিন লক্ষ) টাকার দরকার। তাই যদি হৃদয়বানরা শিখা মোস্তাকিন এর চিকিৎসায় এগিয়ে আসেন তাহলে হয়তো বাঁচতে পারে ফুটফুটে এই শিশুটির জীবন। যোগাযোগ ও সাহায্যে সহযোগিতা পাঠানোর ঠিকানা: মিজানুর রহমান (বিকাশ নম্বর ০১৭১৮৯৪০৬৭৭)

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।