নিজস্ব সংবাদদাতা, চুয়াডাঙ্গা; জেলার দামুড়হুদা উপজেলায় মো. জাহিদুল ইসলাম নামে ছাত্রলীগের সাবেক এক নেতাকে থানায় আটকে রেখে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে পুলিশের দাবি তিনি একজন ফেনসিডিল ব্যবসায়ী। আটকের পর তিনি হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা গেছেন।
গতকাল শনিবার (১৪ মার্চ ২০২০) সন্ধ্যা ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। জাহিদুল ইসলাম দামুড়হুদা উপজেলার জয়রামপুর গ্রামের মৃত লাল মোহাম্মদের ছেলে। তিনি চুয়াডাঙ্গা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ছিলেন।
এ বিষয়ে নিহতের পরিবারের সদস্যদের দাবি, জাহিদ হাসানকে আটকের পর পুলিশ পিটিয়ে হত্যা করেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার সন্ধ্যায় জয়রামপুর থেকে মাদকাসক্তির অভিযোগে হাবিবুর রহমান নামে এক মাদ্রাসা শিক্ষককে আটক করে। জাহিদ হাসানসহ স্থানীয় লোকজন সংগঠিত হয়ে হাবিবুরকে ছাড়িয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ সদস্যরা জাহিদ হাসানকে পিকআপে তুলে নেয়।
তবে পুলিশ জানায়, শনিবার বিকেলে দামুড়হুদা থানার টহল পুলিশের একটি দল উপজেলার জয়রামপুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে দুই বোতল ফেনসিডিলসহ জাহিদ হাসানকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। এরপরই জাহিদ হাসান শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে। এ সময় তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তির পর অবস্থার অবনতি হলে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
জানতে চাইলে দামুড়হুদা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল খালেক জানান, আটক জাহিদ হাসান হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে মারা গেছেন।
আমাদের বাণী ডট কম/১৫ মার্চ ২০২০/টিএ
