দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলার মৌলভীর ডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩ বছর হতে দু’জন শিক্ষক দিয়েই চলছে ৬টি শ্রেণির ২৫১ জন শিক্ষার্থীর পাঠদান। এতে করে চরম ভাবে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক পাঠদান প্রক্রিয়া। শিক্ষা বিভাগের দ্বায়ত্বিশীল র্কমর্কতাদরে কে বষিয়টি বারংবার অবহতি করা সত্বওে তাদের উদাসিনতা ও দ্বায়ত্বি হীনতার কারণে মেটেনি সংকট।
বিদ্যালয় সূত্রে সরেজমিনে জানা গেছে, ৫ পদের এই বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক এবং এক জন সহকারী শিক্ষক কর্মরত আছেন। ইতিপূর্বে ৪ জন শিক্ষক কর্মরত থাকলেও দায়িত্বে অবহেলা স্বেচ্ছাচারিতা ও অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়ায় তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিগত ১৬ মার্চ/১৭ইং অভিযুক্ত শিক্ষক মোঃ হাফিজুর রহমান কে উপজেলার একই ওয়ার্ডের দলাইকোটা সবুজ নব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং শিক্ষিকা রেবেকা খানম কে নিকটবর্তী আনন্দ বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রশাসনিক বদলি করা হয়।
দু’জন শিক্ষক দিয়ে ২৫১ জন শিক্ষার্থীর প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণি হতে পঞ্চম শ্রেণির পাঠদান চলমান আছে। প্রধান শিক্ষককে প্রায় সময় প্রশাসনিক কাজে উপজেলা সদরে যাতায়াতের ফলে একজন শিক্ষককে গোটা বিদ্যালয় সামলাতে হয়।
প্রধান শিক্ষক খন্দকার হাবিবুর রহমান বলেন, প্রধান সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে শিক্ষক স্বল্পতা যা ইতি মধ্যে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে বারংবার অবহিত করা হয়েছে কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। র্পাশ্বর্বতী যেসব স্কুলের শিক্ষার্থী অনুপাতে শিক্ষক বেশি সেখান থেকে শিক্ষক এনে সমন্বয় করার অনুরোধও কাজে আসেনি। অফিসিয়াল কাজ, উপবৃত্তি, শিশু জরিপ, স্কুল ফিডিং কর্মসূচীর বিস্কুটের হিসাব প্রতিদিন হালফিল, সমন্বয় সভা সহ ৬ টি শ্রেণির পাঠদান সামলানো খুব কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।
সহকারী শিক্ষা অফিসার আল-সিরাজ জানান, বিদ্যালয়টিতে শিক্ষার্থী সংখ্যা অনেক মাত্র দু’জন শিক্ষক দিয়ে বিদ্যালয় চালানো অসম্ভব। শিক্ষক সংকট নিরসনে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ প্রয়োজন। দিনাজপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার স্বপন কুমার রায় চীেধুরী জানান, বিদ্যালয়টিতে শিক্ষক স্বল্পতা কর্তৃপক্ষের নজরে আছে।
র্পাবতীপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান ওই বদ্যিালয়ে শিক্ষক সংকটরে কথা স্বীকার করে বলনে, ইচ্ছা থাকা সত্বওে নিরুপায় তবে নতুন শিক্ষক নিয়োগ না দেওয়া র্পযন্ত অপক্ষো করা ছাড়া উপায় নইে।
