এম এইচ সামাদ, নেত্রকোনা সংবাদদাতা; জেলার  বারহাট্টা থানার মান্দারতলা এলাকার পঞ্চম শ্রেণি পড়ুয়া ম‌নি আক্তার নামে এক স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ ও ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

গতকাল মঙ্গলবার (০৫ মে ২০২০) এ ঘটার এক মাত্র আসামী সুলতান মিয়াকে (২৬) কে উপজেলার  বাউসী এলাকা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ১১ এপ্রিল  সকালে প্রাইভেট পড়া শেষ করে  প্রাইভেট শিক্ষকের বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর ভিকটিম আর নিজ বাড়িতে না ফিরলে তার পরিবারের লোকজন আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে খোঁজ খবর নেয়াসহ মাইকিং করেন৷

পরের দিন সকাল (১২ এপ্রিল) সকালে ঐ এলাকার আ: হাকিমের বাড়ির পাশে জঙ্গলের সাথে গর্ত থেকে প্লাস্টিকের সুতলী দিয়ে পা বাঁধা এবং ওড়না দিয়ে মুখ ও মাথা বাঁধা অবস্থায় ঐ স্কুল ছাত্রীর  লাশ উদ্ধার হয়৷  এর পর লাশের সুরতহালে ভিকটিমের শরীরে জখমসহ ধর্ষণের আলামত পরিলক্ষিত হয়৷ লাশ উদ্ধারের পর পরই পুলিশ সুপার, নেত্রকোনা সহ ঊর্ধতন কর্মকর্তাগণ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন৷

জেলার পুলিশ সুপার মোঃ আকবর আলী মুন্সীর নির্দেশনায় ও সার্বিক তদারকিতে অতিঃ পুলিশ সুপার (প্রশাসন)  এস এম আশরাফুল আলম পি‌পিএম-‌সেবা এর সরাসরি তত্ত্বাবধানে এক চৌকস টিম মামলার মূল রহস্য উদঘাটন করে। নানা জায়গায় অভিযান করে, গতকাল সকালে ঘটনার সাথে জড়িত একমাত্র আসামী সুলতান মিয়াকে (২৬) বাউসী এলাকা থেকে গ্রেফতার করে৷

আসামী সুলতান মিয়া ৫ তারিখ বিকেলে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দীতে ধর্ষণের পর নির্মমভাবে হত্যা ও লাশ গুম করার বিষয়টি বর্ণনা করে৷ আসামী সুলতানের বাড়ি ভিকটিমের প্রাইভেট শিক্ষকের বাড়ি যাওয়ার পথের পাশেই৷ ঘটনার দিন আসামী শিশু ভিকটিমকে টার্গেট করে তার বাড়িতে ডেকে নিয়ে কুপ্রস্তাব দিলে রাজী হয় নি বলে জানালেন আসামী।

আমাদের বাণী ডট কম/ ০৬ মে ২০২০/ডিএ 

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।