নিজস্ব সংবাদদাতা, ঢাকা;  প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণায় দেশের প্রতিটি উপজেলার একটি করে স্কুল ও কলেজ সরকারি করে প্রজ্ঞাপন জারির বছর পার হলেও আত্তীকরণের প্রক্রিয়া শেষ না হওয়ায়  ক্ষোভ প্রকাশ  করেছে সরকারিকরণের সুবিধা থেকে বঞ্চিত শিক্ষকরা। তাই দ্রুত পদ সৃজন ও অ্যাডহক নিয়োগের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষকরা।

গতকাল শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০) সরকারিকৃত স্কুলগুলোর শিক্ষকদের সংগঠন ‘সরকারিকৃত মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি’র বার্ষিক সাধারণ সভায় দ্রুত পদসৃজন ও অ্যাডহক নিয়োগের দাবি জানান শিক্ষকরা।

সরকারিকৃত মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি র সভাপতি সুধাংশু শেখর তালুকদার বলেন, শিক্ষকদের দাবিগুলো হল, দ্রুত আত্তীকরণ বিধিমালা প্রণয়ন, নিয়োগকালীন যোগ্যতাকে কাম্য যোগ্যতা ধরে শিক্ষক কর্মচারীদের পদসৃজন ও অ্যাডহক নিয়োগ, প্রতিষ্ঠান সরকারিকরণের দিন পর্যন্ত যেসব শিক্ষক কর্মচারীর বয়স ৫৯ বছরের কম ছিল তাদের পদসৃজন করে আর্থিক সুবিধা প্রদান, কম্পিউটার ও অন্যান্য পদ সৃষ্টি করে পদায়ন। সর্বপরী দ্রুত আত্তীকরণের কাজ শেষ করে শিক্ষক-কর্মচারীদের অ্যাডহক নিয়োগ দেয়া।

এসময় শিক্ষকরা দ্রুত আত্তীকরণ ও অ্যাডহক নিয়োগের দাবি জানান। একইসাথে সরকারিকৃত স্কুলের শিক্ষকদের আত্তীকরণ বিধিমালা প্রকাশের দাবি জানিয়ে একইসাথে প্রজ্ঞাপন জারির দিন থেকে সরকারি বেতনভাতা দেয়ার দাবিও জানান তারা।

সরকারিকরণের সুবিধা থেকে বঞ্চিত শিক্ষকনেতারা জানান, সরকারিকরণের প্রজ্ঞাপন জারির বছর পার হলেও তারা সরকারি সুবিধা পাচ্ছেন না। আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় শিক্ষকরা বঞ্চিত হচ্ছে বলেও অভিযোগ তাদের। দ্রুত আত্তীকরণের প্রক্রিয়া শেষ করার দাবি জানানো হয়। মুজিববর্ষেই অ্যাডহক নিয়োগের দাবি জানান শিক্ষকরা।

এর আগে সরকারিকৃত স্কুল ও কলেজ শিক্ষকদের আত্তীকরণের কাজ অস্বাভাবিক ধীরগতিতে চলায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। গত ২৪ ফেব্রুয়ারি দুপুরে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে গিয়ে সরকারিকৃত স্কুল ও কলেজ শিক্ষকদের আত্তীকরণ ও পদসৃজনের কাজের সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান তিনি।

আমাদের বাণী ডট কম/২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০/সিএ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।