টানা তিনদিনের ছুটিতে বান্দরবানের থানছি উপজেলায় হাজারের ও বেশী পর্যটক এর আগমণে মুখরিত হয়ে উঠেছে পর্যটন স্পটগুলো।

আজ শুক্রবার (৮ নভেম্বর) সকাল থেকে প্রায় ৮৫ টির অধিক পর্যটকবাহী গাড়ি থানছিতে এসেছে।

সরজমিনে দেখা যায় উপজেলার
হোটেল, রেস্ট হাউস,কুটির সব গুলো কানাই কানাই পূর্ণ হয়ে গেছে।স্হান সংকুলান না হওয়ায় পর্যটকদের অনেকেই হোটেলে রুম ভাগাভাগি করে রাত্রি যাপন করতে বাধ্য হচ্ছেন।

পর্যটন তথ্য সেবা কেন্দ্রের দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা সেলিম রেজা জানান,৯শ এর মতো পর্যটক উপজেলার রেমাক্রী ইউনিয়নের দর্শনীয় স্হান আফিয়াখুম এবং নাফাখুম ঝর্ণা দেখার উদ্দেশ্যে রওনা দিতে পেরেছে।বোট এবং গাইড সংকটের কারণে আরো প্রায় ৫শ এর অধিক যাত্রী থানছিতে অবস্হান করছে।

থানছি থানা পুলিশের এসআই সাখায়াত হোসেন জানান,প্রচুর সংখ্যায় পর্যটক আসাতে আমাদের বেশ বেগ পেতে হচ্ছে,তবুও তাদের সর্বচ্চো নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা বিরামহীন শ্রম দিয়ে যাচ্ছি।

দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা পর্যটকরা এই প্রতিবেদক কে জানান,থানছি পর্যন্ত এসে গাইড এবং ইন্জিন বোটের সংকটে আটকে গেছি।এখন থাকা ও খাওয়া নিয়ে বেশ দূর্ভোগের মধ্যে আছি।কোনো আবাসিক হোটেল, রেস্ট হাউস কোথাও থাকার মতো পর্যাপ্ত জায়গা না পেয়ে কোনমতে ছোট্ট একটি রুমে ৪/৫ জন গাদাগাদি করে রাত করতে বাধ্য হচ্ছি।তারা আরো বলেন, বর্তমানে থানছি উপজেলা পর্যটকদের জন্য একটি অন্যতম আর্কষণের কেন্দ্রবিন্দু কিন্তু টুরিস্ট দের জন্য এখানে মানসম্মত কোন আবাসিক হোটেল বা মোটেল নেই যা খুবই দূঃখজনক।

এদিকে শুক্রবার বিকাল থেকে থানছি উপজেলা শহরে বিদ্যুৎ নেই।তার উপর ঘুর্ণিঝড় বুলবুল’ এর আঘাত হানার সম্ভবনায় অনেক পর্যটক ই বেশ শংঙ্খার মধ্যে রয়েছে।

অন্যদিকে ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ এর আঘাত মোকাবেলায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে তেমন কোন উদ্যেগ চোখে পড়েনি।

এই বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আরিফুল হক মৃদার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলা উপজেলা প্রশাসন সজাগ রয়েছেন।

ছবি:১/ পর্যটক দের একাংশ ২/তথ্য সেবা কেন্দ্র ৩/তথ্যসেবা কেন্দ্রে পর্যটকের দেয়া ব্যাক্তিগত তথ্য

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।