সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২০২০ সালের ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জি অনুমোদন দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। গত ২৬ ডিসেম্বর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে ছুটির তালিকাটি অনুমোদন দেয়া হয়।
ছুটির তালিকা অনুসারে, ২০২০ শিক্ষাবর্ষে এক শিফটের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কার্যক্রম সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত ও দুই শিফটের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কার্যক্রম সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত পরিচালিত হবে।
তবে, প্রতি বৃহস্পতিবার এক শিফটের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কার্যক্রম সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২ টা ২৫ মিনিট পর্যন্ত ও দুই শিফটের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কার্যক্রম সকাল ৯টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত পরিচালিত হবে।
নতুন এই শিক্ষাপঞ্জিতে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক কর্মচারীরা। প্রায় ২০ জন শিক্ষক কর্মচারী আমাদের বাণী অফিসে মুঠোফোনে এই অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা বলছেন, প্রাথমিকের সময়সুচী সকাল ১০ টা থেকে বিকাল ৩ টা পর্যন্ত করার দাবি জানিয়ে আসছিলেন দীর্ঘদিন। তাদের দাবির কর্ণপাত না করেই অধিদপ্তর দুই শিফটের সময়সূচী প্রণয়ন করল। এতে শিক্ষকরে ক্ষোভ প্রকাশ করে। অনতিলম্বে সকাল দশটা থেকে বিকাল ৩ টা পর্যন্ত করার দাবি জানিয়েছেন।
কোমলমতি শিশুদের কথা বিবেচনা করে শিক্ষকদের এই দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়ে বিভিন্ন সচেতন মহল ও অভিভাবকেরা।
এদিকে গত শনিবার রাজধানীর পল্টন বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনে (বায়তুল মোকাররম মসজিদের উত্তর পাশে) এক জরুরী বৈঠকে বসেছিলেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিত। এই বৈঠকে টাইমস্কেল মামলার আপিলের শুনানির নিস্পত্তি, বিদ্যালয়ের সময়সূচী সকাল ১০ হতে বিকাল ৩টা পর্যন্ত করা, চলতি দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকদের পদ স্থায়ীকরণ, সকল শিক্ষকদের শ্রান্তি বিনোদন ভাতা প্রতি ৩ বছর পূর্তিতে প্রদানের দাবি জানান তারা। এর জন্য তারা সরকারকে আল্টিমেটামও দেন। আগামী পহেলা বৈশাখ পর্যন্ত আল্টিমেটাম দেয়া হয়েছে। এরপর দাবি আদায়ে আন্দোলনে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছে প্রধান শিক্ষকরা। তাদের আল্টিমেটাম শেষ হবার পর লাগাতার কর্মসূচী চালিয়ে যাবার ঘোষণা দেন তারা।
