ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে উপজেলায় মাদ্রাসা শিক্ষকদের ‘বলাৎকারের’ শিকার হয়ে মক্তব শ্রেণির শিশু ছাত্র আবদুর রহমান (১০) নিহত হওয়ার অভিযোগে চারজনকে আটক করা হয়েছে।
বুধবার (২৫ডিসেম্বর) ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপতালে চিকিৎসাধীন সে মারা যায়।
আটক চারজন হলেন, মাদ্রাসার মুহতামিম (প্রিন্সিপাল) মুফতি আবদস সবুর, শিক্ষক মাওলানা সায়েদুল ইসলাম, মাওলানা আসাদ হোসাইন, মাওলানা মুহতাসিম বিল্লাহসহ মাদ্রাসাছাত্র আ. রহমান ও রবিউল ইসলাম।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত চরভদ্রাসন থানার ওসি হারুন অর রশিদ জানান, প্রকৃত দোষী খুঁজে বের করতে আপাতত আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
আবদুর রহমান উপজেলার ডাঙ্গী গ্রামের জামিয়া ইসলামিয়া মারকাযুল উলুম মাদ্রাসার মক্তব শ্রেণির ছাত্র। সে সালথা উপজেলার সোনাপুর গ্রামের মাওলানা আবদুস সোবানের ছেলে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বুধবার ভোররাতে শিশুটি মাদ্রাসার অজুখানা থেকে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে চরভদ্রাসন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনার পর তাকে তাৎক্ষণিক ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপতালে রেফার্ড করা হয়। ওই হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসকরা শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন। শিশুটির মলদ্বারে গুরুতর জখম রয়েছে বলে তার অভিভাবকদের জানান কর্তব্যরত চিকিৎসক।
শিশুটি মৃত্যুর পর নিপীড়নের অভিযোগে চরভদ্রাসন থানার ওসি হারুন অর রশিদ ও সেকেন্ড অফিসার এসআই শহীদুল ইসলাম সরেজমিনে গিয়ে ওই মাদ্রাসাপ্রধানসহ চার শিক্ষক ও দুই ছাত্রকে আটক করে।
