চলতি বছরের শুরুতে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৩১ হাজারের বেশি শিক্ষক শূন্যপদে নিয়োগে প্রার্থী সুপারিশ করে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ। এখন নিবন্ধিত প্রার্থীদের মনে একটাই প্রশ্ন। কবে প্রকাশিত হবে শিক্ষক নিয়োগ কবে নিয়োগের গণবিজ্ঞপ্তি।
এ বিষয়ে এনটিআরসিএর চেয়ারম্যান এস এম আশফাক হুসেন বলেন, পরবর্তী শিক্ষক নিয়োগ আগামী জানুয়ারিতেই ডাকার সম্ভাবনা রয়েছে। ডিসেম্বরেই পরিকল্পনা ছিলো কিন্তু কয়েকটা বিশেষ কারণে একটু দেরি হয়েছে। তবে জানুয়ারিতে আমরা বিজ্ঞাপন দিতে পারব বলে আশা করছি।
তিনি বলেন, মূল বিষয়টা হলো- আমরা যে দরখাস্ত আহবান করবো এখানে দুইটা বিষয়ে সংযুক্ত আছে।
আশফাক হুসেন বলেন, আমরা আমাদের আইন বা বিধিগত কারণে প্রতি বছর একটা পরীক্ষা নিতে বাধ্য। গত বছর পরীক্ষাটা সঠিক সময়ে শুরু করতে পারিনি বলে আমরা বছরের শেষে শুরু করেছি। এবং এবছর শুরুতে আরেকটা শুরু করছি, যেটা প্রত্যেক বছর দুইটা কিন্তু হয়ে গেলো। ওইটা যদি জানুয়ারিতে করতে পারতাম তাহলে ডিসেম্বরে হয়তো শেষ হয়ে যেত। কিন্তু ওইটা প্রায় ডিসেম্বরে শুরু করছি আর এটা হয়তো জানুয়ারিতে শুরু করছি যার কারণে মনে হচ্ছে ১ বছরে দুইটা পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে। আসলে দুইটা পরীক্ষা দুইটা বছরের।
তিনি বলেন, গত বছরের অর্থাৎ ১৫তম এর ফলাফল আশা করি জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে তৈরি হয়ে যাবে। ১৫তম এদেরকে দরখাস্ত করার সুযোগ দেওয়া না হলে তাদের প্রতি অভিচার করা হবে। কেননা গতবার আমরা ১৪তম এর ফলাফল বের হওয়ার পরে তাদেরকে সুযোগে দিয়ে আহবান করা হয়েছে। তাহলে প্রতি বছর একটা হলে এবার দরখাস্তের আগে ১৫তম এর জন্য সুযোগ দেওয়া অনেকটা লজিক্যাল রিজন রয়ে গেলো।
‘অন্যদিকে জানুয়ারির আগে দিতে গেলে ই-রিকুইজিশন শেষ করতে হবে। ই-রিকুইজিশন অন্যান্য বছর দুই থেকে তিন সপ্তাহ দেওয়া হত। এবার যাতে নিখুঁত করা যায় সেজন্য আমরা পরিকল্পনা করছি ১ মাস দিব। যদি পুরো মাসেই ই-রিকুইজিশনে চলে যায় তাহলে আমি চাইলেও জানুয়ারির আগে বিজ্ঞাপন দিতে পারব না।’
আশফাক হুসেন বলেন, আমরা চাইনা যে খুব তাড়াহুড়া করতে গিয়ে তারা একটা ভুল করুক আমরা বিপদে পড়ি আবার তারাও বিপদে পড়ুক। তার চেয়ে ১ মাস দেরি হলেও ( ডিসেম্বরের যায়গায় যদি জানুয়ারিতে বিজ্ঞাপন) একটা নিখুঁত নিয়োগ হয় সেটাই ভালো। তাই আমরা জানুয়ারিতেই করব।
