কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নের চালিয়াতলীতে গত ৭জুলাই প্রায় ১৪ জন যুবক মিলে এক তরুনীকে রাতভর র্ধষণ করে। বিভিন্ন ভাবে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে প্রভাবশালী মহল।কিন্তু স্হানীয়দের সাহসিকতায় শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ও বিভিন্ন পত্রিকায় ঘটনাটি প্রকাশিত হলে সেই চেষ্টা ব্যার্থ হয়।
তাৎক্ষনিক ভাবে তৎপরতা দেখা যায় মহেশখালী পুলিশের।রাতভর অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করা হয় ঘটনার সাথে জড়িত মনু মিয়া সহ মধ্যস্হতার চেষ্টাকারী স্হানীয় ইউপি সদস্য লিয়াকত আলী ও মহিলা ইউপি সদস্যা খদিজা খানম কে।
ঐদিন রাতেই মেয়েটি বাদি হয়ে এজাহারভুক্ত ৬জন সহ অজ্ঞাতনামা আরো ৭জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করে। শুরুর দিকে মেয়েটির দত্তক মা মাতারবাড়ির মহিলা মেম্বার শামিমা ও সিএনজির লাইনম্যান রশিদের নাম জোরালো ভাবে আলোচনায় আসলেও অজ্ঞাত কারণে মামলা থেকে তাদের নাম বাদ পড়াতে এলাকায় দেখা দিয়েছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া।
স্থানীয়রা ক্ষোভে ফুঁসে উঠে এলাকায় শামিমা ও রশিদের বিচরণ দেখে। অনকেই এবিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ফেসবুকে তাদের প্রতিক্রিয়া ব্যাক্ত করেন।
অন্য দিকে আলোচতি এই র্ধষণের ঘটনায় একে একে বেরিয়ে আসছে আরো কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য! নতুন করে বিভিন্নজন জড়িত থাকার কথা ও নাম শোনা যাচ্ছে স্থানীয়দের মুখে মুখে।
স্থানীয়রা প্রথমে ভয়ে মুখ না খুললেও পুলিশ প্রশাসনের দ্রুত এ্যাকশন দেখে তাদের মাঝে সাহস ফিরে এসেছে। ঘটনার সাথে সরাসরি জড়িত ছিলো এরকম অনেকের নাম প্রকাশ করেছে এলাকাবাসী।
মধ্যস্থতাকারী হিসাবে শুরুর দিকে লিয়াকত মেম্বার, খতিজা ও শামিমা মেম্বার এবং লাইনম্যান রশিদের নাম উঠে আসলেও মধ্যস্থতার চেষ্টাকারী হিসাবে নতুন করে যোগ হয়েছে নুরুল ছামাদের পুত্র আয়ুব আলী, শহিদুল্লাহ, আজিজুল হক কালু নামে আরো কয়েকজনের নাম।
স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, শহিদুল্লাহ ঘটনা মিমাংসার কথা বলে জনপ্রতি ধর্ষকের কাছ থেকে ৩হাজার টাকা করে উত্তোলন করে মাতারবাড়ির শামিমা মেম্বার ও লাইনম্যান রশিদের সাথে কয়েকবার স্বাক্ষাত করেন।
স্থানীয়রা আরও জানান, লিয়াকত ও খতিজা মেম্বার গ্রেফতার হওয়ার ঘটনা চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে আয়ুব আলী, শহিদুল্লাহ এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। শহিদুল্লাহ’র বিরুদ্ধে অস্ত্র মামলা রয়েছে।
অন্যদিকে ধর্ষণ পরবর্তী সময়ে ঘটনা চারদিকে প্রচার হলে ধর্ষক হিসাবে নাম উঠে আসে মনু মিয়া, ওসমান, আমির সালাম , আদালত খান ও মো. ইউনুস প্রকাশ এনিয়ার নাম।
তবে এজাহারে এনিয়া বাদে যাদের নাম উঠে আসে তারা হলো, মনু মিয়া , ওসমান , আমির সালাম, আদালত খান , লিয়াকত মেম্বার, মহিলা মেম্বার খতিজা সহ অজ্ঞাতনামা আরও ছয় সাতজনরে নাম।
এবিষয়ে মহশেখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা প্রভাষ চন্দ্র ধর বলেন, ভিকটিমের জবানবন্দি অনুযায়ী মামলা রেকর্ড করা হয়েছে।
