ডেস্ক রিপোর্ট, ঢাকা; কৃষি মন্ত্রণালয় ও এর অধীনস্থ দপ্তর/সংস্থার ২৬০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারি এখন পর্যন্ত কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যুবরণ করেছেন ৫ জন। চিকিৎসাধীন ও আইসোলেশনে রয়েছেন ১১৬ জন কর্মকর্তা-কর্মচারি। আর এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৩৯ জন।
‘এক ইঞ্চি জমিও যেন অনাবাদি না থাকে’- মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এই নির্দেশনাকে শিরোধার্য করে কোভিড-১৯ এর প্রভাবে সম্ভাব্য খাদ্য সংকট মোকাবিলায় কৃষি মন্ত্রণালয় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
মহামারী করোনার প্রকোপের শুরু থেকেই খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির বর্তমান ধারা শুধু অব্যাহত রাখা নয়, তা আরও বাড়াতে কাজ করছে মন্ত্রণালয়। ঘূর্ণিঝড় আম্পান ও চলমান বন্যার কারণে কৃষিতে ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায়ও কৃষি মন্ত্রণালয় ও এর অধীনস্থ দপ্তর/সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারি কৃষকের পাশে থেকে কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।
এর আগে কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক কর্মকর্তা-কর্মচারিদের ডাক্তার-নার্সসহ স্বাস্থ্যকর্মী এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনী যেমন ফ্রন্টলাইনে থেকে কাজ করে যাচ্ছে তেমনি কৃষিতে প্রয়োজনে ঝুঁকি নিয়ে হলেও কাজ করে যাওয়ার নির্দেশ প্রদান করেন।
তিনি বলেন, মহামারী করোনা, আম্পান, বন্যা প্রভৃতি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নির্দেশিত স্থাস্থ্যবিধি মেনে প্রয়োজনে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে হলেও নিরলসভাবে কাজ করে যেতে হবে। যাতে করে দেশে খাদ্যের কোন ঘাটতি না হয়, সংকট না হয়।
এদিকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সবর্শেষ (২৭ জুলাই ২০২০) তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে করোনাভাইরাসে আরও ৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে আক্রান্ত হয়েছেন আরো ২ হাজার ৭৭২ জন। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ২ লাখ ২৬ হাজার ২২৫ জন। আর মোট মারা গেছেন ২ হাজার ৯৬৫ জন।গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১২ হাজার ৮৫৯টি। ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ২১.৫৬ শতাংশ এবং এ পর্যন্ত ২০.১২ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৮০১ জন এবং এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১ লাখ ২৫ হাজার ৬৮৩ জন। সুস্থতার হার ৫৫.৫৬ শতাংশ। মৃত্যুর হার ১.৩১ শতাংশ। মারা যাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে পুরুষ ২৬ জন ও নারী ১১ জন। এবং এ পর্যন্ত মারা গেছেন পুরুষ ২ হাজার ৩৩২ জন ও নারী ৬৩৩ জন। বয়স বিশ্লেষণে জানা যায়, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে একজন, ৩১-৪০ একজন, ৪১-৫০ সাতজন, ৫১-৬০ সাতজন, ৬১-৭০ ১২ জন, ৭১-৮০ আটজন, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে একজন। হাসপাতালে মারা গেছে ৩৩ জন এবং বাড়িতে চারজন। ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে নেয়া হয়েছে ৫৫০ জনকে এবং আইসোলেশন থেকে ছাড় দেয়া হয়েছে ৬৭৫ জনকে।
আমাদের বাণী ডট কম/২৭ জুলাই ২০২০/পিপিএম

