মাধ্যমিকে প্রবেশ ৯ম গ্রেড (মাধ্যমিক শিক্ষা ক্যাডার) করতে করার দাবি জানিয়েছেন শিক্ষকরা। এছাড়া শিক্ষার উন্নয়নে একতাবদ্ধভাবে কাজ করে যেতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ মাধ্যমিকের শিক্ষকরা।

একই সঙ্গে শিক্ষানীতি অনুযায়ী সতন্ত্র অধিদপ্তর, ন্যায্য আত্মীকরণ বিধিমালা প্রনয়ণ, কোন বাঁধা না রেখে আট বছর পূর্তিতে সিনিয়র শিক্ষক হিসেবে প্রমোশন, বি.এড ইনক্রিমেন্ট প্রদানসহ আরো নানা দাবি মাধ্যমিকের শিক্ষকদের।

শুক্রবার নায়েম অডিটোরিয়ামে ৩৪ তম বিসিএস (নন-ক্যাডার) মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগে কর্মরত শিক্ষকদের ২য় বর্ষ পূর্তিতে এক আলোচনা সভায় এসব দাবি তুলেন শিক্ষকরা।

`গুণগত শিক্ষা,আমাদের প্রতিশ্রুতি` প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শিক্ষকরা এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

শিক্ষকরা বলেন, আমরা গুণগত শিক্ষা অর্জনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ইতোমধ্যে নন-ক্যাডার শিক্ষকগণ শিক্ষার্থীদের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জনে সক্ষম হয়েছে। শিক্ষকরা তাদের নানা অনূভুতি শেয়ার করেন এবং বিভিন্ন প্রস্তাব তুলে ধরেন। আমন্ত্রিত অতিথিগণ উত্থাপিত প্রস্তাবের সঙ্গে একমত হয়ে নবীন শিক্ষকদের নানা উপদেশ ও দিকনির্দেশনা দেন।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক প্রফেসর ড. মো. আব্দুল মান্নান।

তিনি বলেন, আমি সবসময় শিক্ষকদের অধিকার আদায়ের সাথে আছি। মাধ্যমিক শিক্ষকগণের উন্নয়নে আমাদের জোড়ালো ভাবে কাজ করে যেতে হবে।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা ঢাকা অঞ্চলের উপপরিচালক সাখায়েত হোসেন বিশ্বাস, বাংলাদেশ সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব আব্দুস সালাম।

সভায় সভাপতিত্ব করেন গবর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও বাংলাদেশ সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির নবনির্বাচিত সভাপতি মো. আবু সাঈদ ভুঁইয়া।

তিনি বলেন, মাধ্যমিকের উন্নয়নে নবীন- প্রবীণ এক হয়ে কাজ করে যেতে হবে। নবীণ শিক্ষকগণ আমাদের শক্তি।

দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে দিনব্যাপী আয়োজনে নবীন শিক্ষকদের পদচারণায় মুখরিত ছিল পুরো নায়েম অডিটোরিয়াম। আলোচনা সভা শেষে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।