নিজস্ব সংবাদদাতা, ঢাকা; সরকারিকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকের জন্য আরও ৭৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদ সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। একই সাথে অধিগ্রহণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের সম্মিলিত জ্যেষ্ঠতার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি কেন দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়েছে।এ সময় বিধিমালার ৯(১) ধারা কেন অবৈধ হবে না তাও জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে। চার সপ্তাহের মধ্যে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

গতকাল রবিবার (০১ মার্চ ২০২০) রিটকারীদের আইনজীবী মোহাম্মদ সিদ্দিক উল্লাহ মিয়ার রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান এবং বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

রিটকারীদের আইনজীবী মোহাম্মদ সিদ্দিক উল্লাহ মিয়া জানান, অধিগ্রহণকৃত বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের চাকরির শর্তাদি নির্ধারণ বিধিমালা-২০১৩ এর বিধি ২(গ) অনুসারে সরকারি করা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের আত্তীকরণের আগের চাকরিকালের ৫০ শতাংশ গণনার বিধান রয়েছে। কিন্তু ওই বিধি না মেনে জ্যেষ্ঠতার তালিকা করা হয়েছে। বিধিমালার ৯(১) ধারায় এবং ওই তারিখের আগের নিয়োগ বিধি অনুসারে শিক্ষক পদে সরাসরি নিয়োগপ্রাপ্ত সর্বশেষ ব্যক্তির নিচে অধিগ্রহণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকের অবস্থান নির্ধারিত হবে বলে উল্লেখ রয়েছে, যা সংবিধানের সাথে সাংর্ঘষিক। তাই সংক্ষুব্ধ হয়ে রিট মামলা করেছিলেন অধিগ্রহণকৃত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। সে রিট মামলার শুনানি শেষে আদালত এ রায় দিয়েছেন। অন্তর্বর্তীকালীন আদেশের ফলে ৭৫ জনের জন্য প্রধান শিক্ষকের পদ সংরক্ষিত রাখতে হবে।

উল্লেখ্য, এর আগে গত ১২ নভেম্বর ১৬৭ টি এবং ৩০ অক্টোবর ১৩৩ প্রধান শিক্ষকের পদ সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছিলেন আদালত।

আমাদের বাণী ডট কম/০২ মার্চ ২০২০/পিবিএ 

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।