নিজস্ব সংবাদদাতা, টাঙ্গাইল; টাঙ্গাইলের নাগরপুরে চাঞ্চল্যকর বিপ্লব মিয়া (১৫) হত্যাকাণ্ডের প্রধান আসামি সাগর মিয়া আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। সোমবার টাঙ্গাইল চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক রুপম কুমার দাস তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। পরে তাকে টাঙ্গাইল কারাগারে পাঠানো হয়।

এদিকে ক্লুলেস হত্যাকাণ্ডের দেড় মাসের মাথায় এ ঘটনার রহস্য উদঘটনসহ মূলহোতা ও কিলিং মিশনে অংশ নেয়া ৪ ঘাতকের মধ্যে তিনজনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।

এর আগে এই হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নাগরপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) গোলাম মোস্তফা মন্ডল ঢাকার বিভিন্ন স্পট ও সাতক্ষীরায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদের সময় সাগর এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে এবং আদালতে জবানবন্দি দিতে রাজি হয়।

সাগর মিয়া নাগরপুর উপজেলার ধুবড়িয়া পূর্বপাড়া গ্রামের মজনু মিয়ার ছেলে। গ্রেফতারকৃত অন্যরা হচ্ছে- একই গ্রামের আসাদুল (২২) ও শেহরাইল গ্রামের ছানোয়ার হোসেন (২৫)।

স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে সাগর হত্যাকাণ্ডের দায় স্বীকার করে জানান, নেশার টাকা নিয়ে বিপ্লবের সঙ্গে আসাদুল ও ছানোয়ার হোসেন দ্বন্দ্ব ছিল। আর সাগরের সঙ্গে বিপ্লবের পূর্ব বিরোধ ছিল। একারণেই পূর্ব পরিকল্পিতভাবে অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় ৪ জন মিলে বিপ্লবকে কুপিয়ে ও গলাকেটে হত্যা করা হয়। ঘাতক সাগরের দেয়া তথ্য অনুযায়ী হত্যাকাণ্ডের ব্যবহৃত ছুরি তার বাড়ির সেফটি ট্যাঙ্কি থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।

নাগরপুর উপজেলার ধুবড়িয়া পূর্ব পাড়া গ্রামের উজ্জল মিয়ার ছেলে মো. বিপ্লব মিয়াকে (১৫) গত ১৬ ডিসেম্বর রাতে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায় ঘাতকরা। পরে তাকে কুপিয়ে ও গলাকেটে হত্যা করে ধুবরিয়া কুষ্ঠিয়া বিলের পাড়ে লাশ ফেলে রাখে।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।