পটিয়া (চট্টগ্রাম) সংবাদদতা; জেলার পটিয়া উপজেলার কোলাগাঁও বড়ুয়াপাড়া এলাকায় স্বামীকে বেঁধে রেখে নববধূকে গণধর্ষণ মামলায় মিন্টু (৩৩) ও জুয়েল (২৮) নামের দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৭। গত ৭ জুন এই গণধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ধৃত জুয়েল কোলাগাঁও গ্রামের আজিজুল হক মেম্বার বাড়ির ফোরক মাঝির ছেলে। আর মিন্টু একই এলাকার সত্তরের ছেলে।

  • ঘটনার বিষয়ে র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক মো. মাহমুদুল হাসান মামুন বলেন, গত ৭ জুন কোলাগাঁও এলাকা দিয়ে নববধূকে নিয়ে শ্বশুর বাড়ি যাচ্ছিলেন স্বামী। এর মাত্র তিন দিন আগে ওই দম্পতির বিয়ে হয়েছিল। শ্বশুর বাড়ি যাওয়ার সময় রাত সাড়ে ৮টার সময় পথিমধ্যে হান্নান, মন্টুন, জুয়েল ও মিন্টু এই দম্পতির পথরোধ করে। এই সময় বখাটেরা জোরপূর্বক তাদের আধাকিলোমিটার দূরে একটি পুকুরপাড়ে নিয়ে যায়। সেখানে স্বামীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে স্ত্রীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। শুরুতে এই দম্পতি লোকলজ্জার ভয়ে বিষয়টি গোপন করতে চেয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে ঘটনাটি লোকমুখে ফাঁস হয়ে যায়। এরপর ১৫ জুন পটিয়া থানায় চারজনের বিরুদ্ধে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়।

এই মামলার ছায়া তদন্তকালে র‌্যাব-৭ জানতে পারে, গণধর্ষণ মামলার আসামি জুয়েল চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থানার কাটগড় এলাকায় অবস্থান করছে। সেখানে অভিযান চালিয়ে জুয়েলকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাকলিয়া থানার রাজাখালী এলাকায় অভিযান চালিয়ে মিন্টুকে গ্রেপ্তার করা হয়।

  • প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা দুজনই গণধর্ষণে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

আমাদের বাণী ডট কম/১৮  জুন ২০২০/পিপিএম 

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।