প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জন্য ১৮ হাজার শিক্ষক নিয়োগ কার্যক্রম চলমান। নতুন জাতীয়করণ স্কুলে এসব শিক্ষককে পদায়নের নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। তাদেরকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে তোলারও পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে বলে সংসদীয় কমিটিতে জানানো হয়েছে।
বুধবার সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির পঞ্চম বৈঠকে এসব তথ্য জানানো হয়।
কমিটির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ফিজারের সভাপতিত্বে বৈঠকে কমিটির সদস্য ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন, মেহের আফরোজ, নজরুল ইসলাম বাবু, ইসমাত আরা সাদেক, শিরীন আখতার, আলী আজম ও ফেরদৌসী ইসলাম অংশ নেন।
বৈঠকে দেশের ৬৪ জেলায় চলমান মৌলিক সাক্ষরতা প্রকল্পের কার্যক্রমের সাথে জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্ত করে তদারকির মাধ্যমে মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতের সুপারিশ করা হয়। উল্লেখ্য, ২১ লাখ জনসাধারণকে সাক্ষর জ্ঞান সম্পন্ন করে তোলা এ প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য।
বৈঠকে কমিটির সভাপতি বলেন, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে সমাজের মূল স্রোতে নিয়ে আসতে বর্তমান সরকার নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের দরদ দিয়ে শিক্ষাদানের প্রতি গুরুত্বারোপ করেন।
সভাপতি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষা শিক্ষার্থীদের মূল ভিত্তি। সে কারণে প্রাথমিক বিদ্যালয় হতেই শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষা দিতে হবে।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির (এসএমসি) সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার ক্ষেত্রে প্রাথমিক যোগ্যতা হিসেবে সভাপতি প্রার্থীর সন্তানকে অবশ্যই ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হতে হবে বলে স্থায়ী কমিটি সুপারিশ করে।
বৈঠকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম আল হোসেনসহ মন্ত্রণালয় ও অধিদফদরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
