জগন্নাথপুরে পৃথক সংঘর্ষে

মোঃ হুমায়ূন কবীর ফরীদি, জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) সংবাদদাতা;  জেলার জগন্নাথপুরে পৃথক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় আটক ১৯ জনকে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

থানা ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায় , উপজেলা আশারকান্দী ইউনিয়নের মিলিক গ্রামে তখলিছ মিয়া (৫৮)এর সাথে তার চাচাতো ভাই ময়না মিয়ার জমি নিয়ে পূর্ব বিরোধ চলছিল। গত ২৩ মে সন্ধ্যার দিকে তখলিছ মিয়া হাওর থেকে গরু নিয়ে বাড়িতে আসার পথে ময়না মিয়ার সাথে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ময়না মিয়া ও তার ছেলে সায়েক মিয়াসহ আরো কয়েকজন মিলে তখলিছ মিয়া কে মারধর করে।

গুরুতর আহত অবস্থায় তখলিছ মিয়া কে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৫ শে মে সোমবার তার মৃত্যু হয়। এঘটনায়

পুলিশ ময়না মিয়া (৫০) ও তার ছেলে সায়েক মিয়া (২২) কে আটক করে সুনামগঞ্জ জেল হাজতে পাঠিয়েছে।

অপর দিকে গত ২৫ শে মে সোমবার ঈদের জামাত শেষে উপজেলার কুবাজপুর দক্ষিণ পাড়া জামে মসজিদের ইমাম নাজমুল ইসলাম কে মসজিদে রাখা না রাখা নিয়ে গ্রামের আরাফাত মিয়া ও সুহেল মিয়ার মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। আরাফাত মিয়া ইমাম নাজমুল ইসলাম কে মসজিদে রাখার পক্ষে অবস্থান নেন এবং সুহেল মিয়া ইমাম কে মসজিদে না রাখার পক্ষে অবস্থান নেন। এ নিয়ে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে উভয় পক্ষের ২০ জন আহত হন।

  ৫ পুলিশে মিলে হাজতে তরুণীকে গণধর্ষণ: খুলনার সেই ওসি-এসআই ক্লোজড

এরমধ্যে দুই জনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অপরাপর আহতরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এঘটনায় পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ১৭ জনকে আটক করে।তাদেরকে ২৬ শে মে মঙ্গলবার সুনামগঞ্জ জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)  মোঃ ইখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী জানান, জগন্নাথপুরে পৃথক দুইটি সংঘর্ষের ঘটনায় আটক ১৯জনকে সুনামগঞ্জ কারাগারে প্রেরন করা হয়েছে।

আমাদের বাণী ডট কম/২৬ মে ২০২০/সিসিপি