Shadow

তিতুমীর কলেজ থেকে জেকেজির সাড়ে ৩ হাজার পিপিই উদ্ধার

শেয়ার করুনঃ
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

ডেস্ক রিপোর্ট ঢাকাঃ তিতুমীর কলেজ থেকে জেকেজির সাড়ে তিন হাজার পিপিই উদ্ধার করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। আজ মঙ্গলবার সেখান থেকে জেকেজির সব মালামাল নিয়ে যাওয়া হয়।

দেশে করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকেই তিতুমীর কলেজ ক্যাম্পাসে করোনা বুথ স্থাপন ও ক্যাম্প করে নমুনা সংগ্রহের কাজ করে আসছিলেন জেকেজি হেলথ কেয়ারের কর্মীরা। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আরিফুল হক চৌধুরী গ্রেপ্তারের পর মাস্ক, গ্লাভস, পিপিই, ব্যবহৃত জামা-কাপড়সহ করোনা পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন উপকরণ ফেলে কর্মীরা পালিয়ে যান।

করোনা টেস্টের ভুয়া রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগে গত ২৩ জুন গ্রেপ্তার হন আরিফুল হক চৌধুরী। এরপর থেকেই আলাচনায় ছিলেন তার স্ত্রী ডা. সাবরীনা আরিফ। পরে গত রোববার তাকেও গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরের দিন গতকাল সোমবার সাবরীনাকে রিমান্ডে নেওয়া হয়।

প্রসঙ্গত, করোনা ভাইরাসের টেস্ট করার নামে মানুষের জীবনমরণ খেলায় মেতে উঠেছিলেন বেসরকারি নমুনা সংগ্রহকারী প্রতিষ্ঠান জোবেদা খাতুন সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবার (জেকেজি হেলথ কেয়ার) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আরিফুল হক চৌধুরী। বিনামূল্যে নমুনা সংগ্রহের জন্য ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের পৃথক ছয়টি স্থানে ৪৪টি বুথ স্থাপন করে প্রতিষ্ঠানটি। এসব এলাকা থেকে প্রতিদিন ৪০০ থেকে ৫০০ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হতো। শর্ত ছিল-সরকার নির্ধারিত ল্যাবরেটরিতে নমুনা পাঠাতে হবে।

  একদিনে সর্বোচ্চ শনাক্ত ও মৃত্যুর রেকর্ড, একদিনে শনাক্ত ১৭৭৩, মৃত্যু ২২

কিন্তু হেলথ কেয়ার ওভাল গ্রুপের অঙ্গসংগঠন জেকেজি সব শর্ত ভেঙে পরীক্ষা ছাড়াই করোনার ভুয়া টেস্ট রিপোর্ট সরবরাহের ফাঁদ পাতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায়। নিজস্ব কর্মীবাহিনী ছাড়াও সিন্ডিকেটে যোগ করে দালালচক্র। ফোন করলেই বাসায় গিয়ে চক্রের সদস্যরা সংগ্রহ করত করোনার নমুনা। এর বিনিময়ে নিত ৫ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত। কিন্তু নমুনার কোনো পরীক্ষা ছাড়াই এক দিন পরই মনগড়া ফল দিয়ে দিত। করোনা উপসর্গে ভোগা মানুষদের প্রতারণার ফাঁদে ফেলে এভাবে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

আমাদের বাণী ডট কম/১৪ জুলাই  ২০২০/পিপিএম

শেয়ার করুনঃ
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •