ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সহ-সভাপতি নুরুল হক নুরসহ অজ্ঞাত ২৯ জনের নাম উল্লেখ করে শাহবাগ থানায় মামলা হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েরর শহীদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ডিএম সাব্বির হোসেন বাদী হয়ে বুধবার মামলাটি দায়ের করেন। তিনি গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া থানার এনামুল হকের ছেলে।
মামলায় অবৈধ জনতাবদ্ধ হয়ে ডাকসু ভবনে অনাধিকার প্রবেশ করে হত্যার উদ্দেশ্যে মারধর ও চুরির অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাত আরও ১৫/২০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, ২৯ জন সহ আরো অজ্ঞাতনামা ২২ ডিসেম্বর দুপুর ১২টার সময় ১৫ থেকে ২০ জন লাঠি ও দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাতের ফলে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সভাপতি আমিনুল ইসলামসহ ৮ জন গুরুতর জখম হন। এছাড়া তাদের মারপিটের সময় মানিব্যাগ, মোবাইল ও হাতঘড়ি ছিনিয়ে নেয় আসামীরা। এসময় গুরুতর আহত অবস্থায় অনেককে ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসার জন্য প্রেরণ করা হয়। আসামীদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির বেশ কয়েকটি ধারায় এই মামলাটি করা হয়েছে।
যাদের নামে মামলা করা হয়েছে- ডাকসু ভিপি নুরুল হক নুর, সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক ফারুক হাসান, সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মুহাম্মদ রাশেদ খান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক এপিএম সোহেল, সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন, সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মশিউর রহমান, সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক আবু হানিফ, আমিনুল ইসলাম, তুহিন ফারাবী, মেহেদি হাসান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জমিস উদ্দিন হলের ছাত্র সালেহ উদ্দিন সিফাত, নাজমুল হাসান, আয়াতুল বেহেশতী, রবিউল হোসেন, আরিফুর রহমান। সাইফুল ইসলাম, আরিফুর রহমান।
উল্লেখ্য, গত রোববার ভিপি নুর ও সহযোগীদেরকে ডাকসু কক্ষে ঢুকে বাতি নিভিয়ে পেটান মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এতে নুরসহ বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের অন্তত ৩০ জন আহত হন। দুজনকে ছাদ থেকে ফেলে দেয়া হয়
