আমাদের বাণী ডেস্ক, ঢাকা;  আরবী মাসের অষ্টম মাস হলো পবিত্র শাবান মাস। এরপরের মাস হলো পবিত্র রমজান মাস। তাই এই মাসকে রমজানের প্রস্তুতির মাস বলা হয়।আর শাবান মাস রমজানের প্রস্তুতির দ্বিতীয় ধাপ, প্রথম ধাপ হলো রজব মাস।

রাসুল (স:) রজব ও শাবান মাসে বেশি বেশি এই দুআ পাঠ করতেন : “আল্লাহুম্মা বারিক লানা ফি রজব ওয়া শাবান ওয়া বাল্লিগনা রমাদান ”
অর্থাৎ হে আল্লাহ! তুমি আমাদের জন্য রজব ও শাবান মাসে বরকত দাও এবং আমাদের রমজান পর্যন্ত পৌছে দাও। (মুসনাদে আহমাদ)

নবী করীম (স:)অন্যন্য মাসের তুলনায় এই মাসে বেশি বেশি নফল রোজা,পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত, ও সালাত আদায় করে রমজানের পূর্ব প্রস্তুতি গ্রহন করতেন।

হযরত আয়েশা (রা:) বলেন : আমি নবী করীম (স:) কে শাবান মাসের মতো এত বেশি নফল রোজা আর অন্য কোনো মাসে রাখতে দেখিনি। এ মাসের সামন্য কয়েকদিন ছাড়া সারা মাস-ই তিনি রোজা রাখতেন। ( তিরমিজি- ৭৩৭)

রমজানের আগমনের জন্য মহানবী ( স:) দিনক্ষন গননা করতেন। হযরত আয়েশা ( রা:) থেকে বর্ণিত, রাসুল ( স:) শাবান মাসের(দিন – তারিখের) হিসাবের প্রতি এত বেশি লক্ষ্য রাখতেন, যা অন্য মাসের ক্ষেত্রে রাখতেন না।
( আবু দাউদ- ২৩২৫)

সম্মানিত পাঠকবৃন্দ!
দেখতে দেখতে আমাদের মাঝ থেকে পবিত্র রজব মাস বিদায় নিয়েছে।পবিত্র শাবান মাসেরও কিছু দিন অতিবাহিত হয়ে গেছে। পবিত্র রমজানের আর বেশিদিন বাকি নেই।তাই এখন থেকেই আমাদের রমজানের পূ্র্ব প্রস্তুতি গ্রহন করতে হবে নফল রোজা,কুরআন তেলাওয়াত, সালাত আদায়, দান – সদকার মাধ্যমে।

চারিদিকে লক- ডাউন চলছে, বাড়ি বসে অযথা সময় নষ্ট না করে আমরা বিভিন্ন ইবাদতে লিপ্ত হতে পারি।
আর আমাদের যাদের সামার্থ্য আছে তাদের উচিৎ এ দুর্সময়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর। সাধ্যনুযায়ী তাদের সহযোগিতা করা। আর আল্লাহ তায়ালার নিকট আমাদের বেশি বেশি দুআ করতে হবে, যেন আমাদের এই মহামারি করোনা ভাইরাস থেকে তিনি হেফাজত করেন।

হে আল্লাহ! এখন থেকেই আমাদের পবিত্র রমজানের দৈহিক, মানসিক, আর্থিক ভাবে প্রস্তুতি গ্রহন করার তাওফিক ইনায়েত করুন। আমিন

লেখক, মুহা: আব্দুল্লাহ আল আফিক, ঝিনাইদহ

আমাদের বাণী ডট কম/০৩এপ্রিল ২০২০/সিসিএ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।