Shadow

পানির নিচে চিলমারী উপজেলা পরিষদ-থানা

শেয়ার করুনঃ
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

নিজস্ব সংবাদদাতা, কুড়িগ্রাম;  শহর রক্ষা বাঁধ রক্ষা করতে পারেনি উপজেলা সদরসহ শতাধিক গ্রাম। গত বছরের ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধের ভাঙ্গা অংশ দিয়ে পানি ঢুকে এবারেও ডুবে গেছে উপজেলা পরিষদ ও চিলমারী মডেল থানা। ধীরে ধীরে তলিয়ে যাচ্ছে পুরো শহর। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে লক্ষাধিক মানুষ। বাড়ছে দুর্ভোগ। প্রধান প্রধান সড়কগুলো তলিয়ে যাচ্ছে পানির নিচে। যোগাযোগ ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়তে শুরু করেছে।

জানা গেছে, কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্রের পানি কমতে শুরু করলেও এখনো বিপদসীমার ( শুক্রবার বেলা ১২টা পর্যন্ত ৮৭ সে.মি.) উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। গ্রাম গুলো এখনোও বন্যার পানিতে রয়েছে ডুবে।

বন্যার পানি থেকে রক্ষা পেল না উপজেলা সদর। গত বছরের বন্যার পানির তোড়ে শহর রক্ষা কাঁচকোচ বাজার সড়ক (শহর রক্ষা বাঁধ) ভেঙ্গে গেলেও তা মেরামত না করায় চলতি বন্যায় দ্রুত বন্যার পানি ঢুকে পড়েছে শহরে। গত দু’দিনে বন্যার পানি বৃদ্ধি পেয়ে উপজেলা পরিষদসহ আশপাশ বেশকিছু গ্রাম নুতুন করে প্লাবিত হচ্ছে। ফলে হাজার হাজার পরিবারের লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। নতুন নতুন গ্রাম প্লাবিত হওয়ায় শহরের আশপাশের বেশ কিছু পরিবার কেচি সড়ক ও রেল লাইনের ধারে আশ্রয় নিয়ে কষ্টে দিনাপাত করছে। অনেকের আশ্রয় মিললেও অনেকের ভাগ্যে মিলছেনা আশ্রয় ফলে দুর্ভোগ চরমে উঠেছে বানভাসীদের। রেল লাইন ও কেচি সড়কে আশ্রয় নেয়াদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বন্যা থেকে রক্ষা বাঁধটি মেরামত না করায় তাদের বন্যার পানিতে ডুবতে হচ্ছে এবং উপজেলা সদরসহ প্রায় শতাধিক গ্রাম নুতুন করে প্লাবিত হয়েছে। তারা আরো জানায় এই পানি দ্রুত এসে তলিয়ে দিলেও যাওয়ার সহ খুব আস্তে আস্তে নেমে যায় ফলে শহর ও শহরের আশপাশ এলাকার মানুষকে চরম দুর্ভোগে পড়তে হয়। পানি বৃদ্ধির সাথে উপজেলা পরিষদ ও থানা তলিয়ে যাওয়ায় আবাসিক কোয়াটারে অবস্থান নেয়া পরিবার গুলো বিশুদ্ধপানি সংকটে পড়েছে এছাড়াও তারা বাড়ি থেকে বের হতেও সমস্যায় পড়ছে। উপজেলা পরিষদ ও থানা তলিয়ে যাওয়ায় দাপ্তরিক কার্যক্রম পড়েছে হুমকির মুখে। দুর দুরান্ত থেকে আশা মানুষজন পড়েছে বিপাকে।

  ছেংগারচর পৌর যুবলীগের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত

নাম প্রকাশে অনিচ্চুক এক কর্তকর্তা জানান, ভবন গুলো নিচু হওয়ায় দ্রুত বন্যায় তালিয়ে যায় সড়ক ও ভবন। বন্যার পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় শহরের প্রধান প্রধান সড়ক তলিয়ে যেতে শুরু করেছে। ফলে যোগাযোগ ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়তে শুরু করেছে।

এদিকে বৃহস্পতিবার উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শওকত আলী সরকার বীর বিক্রম ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ ডব্লিউ এম রায়হান শাহ্ নয়ারহাট ইউনিয়নের ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন ও বন্যা দুর্গতদের খবর নেন। এসময় উপজেলা ভাইস চেয়াম্যান আব্দুল কুদ্দুছ সরকার, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আছমা বেগম, ইউপি চেয়ারম্যান আবু হানিফা উপস্থিত ছিলেন।

আমাদের বাণী ডট কম/১৭  জুলাই ২০২০/পিপিএম

শেয়ার করুনঃ
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •