Shadow

মাস শেষেই বেতন-ভাতা পাবেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা

শেয়ার করুনঃ
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

ডেস্ক রিপোর্ট, ঢাকা;  বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের অনেক দিনের দাবি অবশেষে পুরণ হতে যাচ্ছে। এখন থেকে মাস শেষে সময়মতো বেতন-ভাতা পাবেন তারা। এরই অংশ হিসেবে চলতি জুলাই মাসের শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওর চেক আজ বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ছাড় হয়েছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) উপ-পরিচালক মো. রুহুল মমিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ৮টি চেকের মাধ্যমে এ অর্থ অনুদান বণ্টনকারী অগ্রণী, রুপালী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় এবং জনতা ও সোনালী ব্যাংকের স্থানীয় কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়েছে। আগামী ১০ আগস্টের মধ্যে সংশ্লিষ্ট শাখা ব্যাংক হতে জুলাইয়ের বেতন-ভাতার সরকারি অংশ উত্তোলন করতে বলা হয়েছে।

এদিকে, মাউশির মহাপরিচালক (ডিজি) সৈয়দ গোলাম ফারুক বলেছেন, প্রক্রিয়াগত কারণে আগে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা দেরিতে বেতন পেত। তবে এখন থেকে বেতন-ভাতার সরকারি অংশের টাকা দ্রুত দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এখন থেকে সরকারি অনুমোদনের জন্য প্রতিমাসের ২০ তারিখের মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠাতে হবে। আর শিক্ষকদের অনলাইনে এমপিওর আবেদন পাওয়ার তিন কর্মদিবসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে সংশ্লিষ্টদের বলা হয়েছে।

জানা যায়, সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের চাইতে কমপক্ষে ১০-১৫ দিন পরে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা বেতন পান। অথচ একই মন্ত্রণায় থেকে বেতন-ভাতা দেয়া হয়। এদিকে, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা মাসের শেষে নির্দিষ্ট সময়ে বেতনের দাবি জানিয়ে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে। তাদের দাবি, আমরা একই সমান পরিশ্রম করে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করছি। ক্ষেত্র বিশেষে বেশিই শ্রম দিতে হয়। কিন্তু মূল্যায়নের ব্যপারে আমরা পিছিয়ে।

  শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালকের সঙ্গে প্রাথমিক শিক্ষকদের বৈঠকে যা হল!

এ বিষয়ে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ লিয়াজোঁ ফোরামের মুখপত্র মো. নজরুল ইসলাম রনি বলেন, সরকার মাস শেষ হতেই শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন দিতে পারে। কিন্তু বেসরকারি শিক্ষকদের বেলায় কেন এ গড়িমসি? আমাদের কথা হচ্ছে সরকারি নিয়মে বেতন প্রদান করতে হবে। একই সঙ্গে ২৫ শতাংশের পরিবর্তে শতভাগ ঈদ বোনাস দিতে হবে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও স্বীকৃতি কমিটির প্রধান সমন্বয়ক মোমিনুর রশিদ আমিন বলেন, এটা দরকার। এতে আমাদেরও কাজের চাপ কমবে। তাদের জন্যও উপকার হবে।

আমাদের বাণী ডট কম/৩০ জুলাই ২০২০/পিপিএম

সৈয়দপুরের বিজ্ঞাপন

শেয়ার করুনঃ
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •