ডেস্ক রিপোর্ট, ঢাকাঃ  শেষ কার সঙ্গে মোসারাত জাহান মুনিয়ার কথা হয়েছিল?—তদন্তে সেটিই বেশিই গুরুত্ব পাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার নিজ কার্যালয়ে পুলিশের গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) সুদীপ কুমার চক্রবর্তীকে সাংবাদিকেরা এমন প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, “মুনিয়া দুটি ফোন ব্যবহার করতেন। একটি ফোন মৃত্যুর পরও সচল ছিল।”

তবে শেষ কার সঙ্গে মুনিয়া কথা বলেছেন, সে সম্পর্কে উপ-কমিশনার সুদীপ তথ্য দিতে চায়নি। কথা বলার কতক্ষণ পর মুনিয়া আত্মহত্যা করেন, তাও বলেনি তিনি।

মামলার এজাহারে ফারিয়া মাহবুব পিয়াসা ও পরে সরকারদলীয় হুইপ ও চট্টগ্রামের সংসদ সদস্য সামশুল হক চৌধুরীর ছেলে শারুন চৌধুরীর নাম এসেছে। পুলিশ তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে সুদীপ কুমার চক্রবর্তী জানায়, মামলার তদন্তে যার যার নাম আসবে, প্রত্যেকের সঙ্গে পুলিশ কথা বলবে। প্রাসঙ্গিক বক্তব্য আদালতে ১৬৪ ধারায় লিপিবদ্ধ করার ব্যবস্থাও করবে।

ডিসি সুদীপ জানান, মুনিয়ার মৃত্যুর পর টাকা-পয়সার লেনদেনসংক্রান্ত একটি অডিও পাওয়া যায়। ওই অডিও পরীক্ষা-নিরীক্ষার আওতায় আনবে পুলিশ।

  করোনা টেস্টের ফি, হাসপাতালে ১০০ বাসায় ৩০০

পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, “মুনিয়ার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করার পরে পুলিশ এসে তাকে নামায় ও বিছানায় শুইয়ে দেয়। বড় ধরনের বিপদ ঘটতে পারে বলে মুনিয়া তার পরিবারকে জানিয়েছিলেন। এই ঘটনায় ওই রাতেই মুনিয়ার বোন নুসরাত জাহান বাদী হয়ে বসুন্ধরার ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীরকে আসামি করে আত্মহত্যায় প্ররোচণার মামলা করেন।”

গত ২৬ এপ্রিল, সোমবার সন্ধ্যার পর রাজধানীর গুলশানের নিজের ফ্ল্যাট থেকে মোসারাত জাহান মুনিয়ার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় সায়েম সোবহান আনভীরকে আসামি করে মামলা করেন মুনিয়ার বোন নুসরাত জাহান।

মামলার এজাহারে বাদী বলেন, মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী মোসারাত জাহান মুনিরা। দুই বছর আগে মুনিরা এবং সায়েম সোবহান আনভীরের মধ্যে পরিচয় হয়। এরপর থেকে তারা বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় দেখা করতেন। তাদের প্রায় সময় মোবাইলে ফোনে কথা বলতে দেখা যেত। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

আমাদেরবাণী/মৃধা