সৈয়দপুরে নেশা জাতীয় অবৈধ ওষুধ সংরক্ষণ ও বিক্রি, পঁচা বড়ই সংরক্ষণ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া অবৈধভাবে পলিথিন উৎপাদনের দায়ে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানের ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা, বিপুল পরিমাণ শুকনো বড়ই ধ্বংস করা হয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর রংপুর বিভাগীয় দপ্তরের দিনাজপুর অঞ্চলের সহকারি পরিচালক মমতাজ বেগমের নেতৃত্বে শহরের বিভিন্ন এলাকায় ওই অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযান সূত্র জানায়, শহরের সাহেবপাড়া এলাকায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে পঁচা ও শুকনো বড়ই সংরক্ষন করে বাজারজাত করার দায়ে গোলাপ হোসেনকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এ সময় সেখানে থাকা প্রায় ৫০ কেজি পঁচা খেজুর ধ্বংস করা হয়। একই স্থানে সংশ্লিষ্ট কোন দপ্তরের অনুমতি ছাড়াই শুধুমাত্র পৌরসভার ট্রেড লাইসেন্স দিয়ে অবৈধভাবে পলিথিন উৎপাদনের দায়ে বিল্লাল হোসেনকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এর আগে শহরের শেরে বাংলা সড়কের সৈয়দপুর প্লাজার সামনে নেশা জাতীয় ওষুধ সংরক্ষণ ও বিক্রির দায়ে জিনিয়া ফার্মেসীর জিয়াউল হককে ৫ হাজার এবং শহীদ ডা. জিকরুল হক সড়কের দিনাজপুর রোড মোড়ে আলহাজ্ব ফার্মেসীর মজিবর রহমানের ৫ হাজার টাকা জরিমানা করে অভিযান পরিচালনাকারী দল। অভিযান চলাকালে ওই এলাকার একটি ওষুধের দোকান মালিক তার প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে পালিয়ে যায় বলে সত্যতা নিশ্চিত করেছে অভিযানিক দলটি। এদিন বিভিন্ন গুড়ের দোকান ও গোডাউনেও অভিযান পরিচালনা করা হয়। তবে সেখানে কোন ভেজাল গুড়ের অস্তিত্ব পাওয়া না গেলেও ব্যবসায়ীদের ভেজাল গুড় বিক্রি না করার জন্য সতর্ক করেন।
অভিযান চলাকালে এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সৈয়দপুর পৌরসভা স্যানিটারি পরিদর্শক মো. আলতাফ হোসেন সরকারসহ থানা পুলিশ সদস্যরা।
