Shadow

সৈয়দপুর পৌর মেয়রের কাছে পাওনা টাকা আদায়ের আমরণ অনশনের ঘোষণা

শেয়ার করুনঃ
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

নীলফামারীর সৈয়দপুর পৌরসভার মেয়র আমজাদ হোসেন সরকারের কাছ থেকে বকেয়া টাকা আদায়ের দাবিতে আমরণ অনশনে যাচ্ছেন সিংগার বাংলাদেশ সৈয়দপুর শাখার ব্যবস্থাপক নূরুল আমিন প্রামানিক।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকালে শহরের টি.আর সড়কস্থ সিংগার শোরুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ওই কর্মসূচী পালনের ঘোষণা দেয়া হয়।

লিখিত বক্তব্যে নূরুল আমিন প্রামানিক বলেন, সৈয়দপুর পৌরসভার মেয়র আমজাদ হোসেন সরকার বিভিন্ন সময় নিজ নামে বা অন্যের নামে সিংগার শো-রুম সৈয়দপুর ব্রাঞ্চ থেকে পণ্য ক্রয় করে বিভিন্ন ব্যক্তিকে দেন। তিনি কয়েক বছরে মোট ৭১ লাখ ১৬ হাজার ৯৫৪ টাকার পণ্য ক্রয় করেন। এর মধ্যে পরিশোধ করেন ৩৮ লাখ ৯৮ হাজার ৪৪১ টাকা। বকেয়া থাকে ৩১ লাখ ১৮ হাজার ৫১৩ টাকা। কিন্তু বারবার মৌখিক তাগাদা দেয়া সত্বেও দীর্ঘদিনও তিনি ওই বকেয়া টাকা পরিশোধে কোন উদ্যোগ নিচ্ছেন না।

অবশেষে বাধ্য হয়ে টাকা আদায়ে তিনি গত বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) রাতে পৌরসভা চত্বরে মেয়রের গাড়ীর সামনে শুয়ে পড়েন। এ ঘটনায় মেয়র গাড়ী থেকে নেমে ওই রাতেই টাকা পরিশোধ করার কথা বলে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। পরদিন শুক্রবার পৌরসভার হিসাব কর্মকর্তা জানান যেহেতু শনিবার ব্যাংক বন্ধ থাকে সে কারণে টাকা রবিবার পরিশোধ করা হবে। এভাবে রবিবারেও তিনি (মেয়র) প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে আবারও মঙ্গলবার টাকা দেয়ার অঙ্গিকার করেন। এদিনও তিনি টাকা না দিয়ে পরদিন বুধবার তার পক্ষে প্যানেল মেয়র-১ জিয়াউল হক জিয়া স্বাক্ষরিত একটি পত্র পাঠান। পত্রে বকেয়া টাকা পরিশোধে ফের ক্রয়কৃত পণ্যের হিসাব চাওয়া হয়। এমন অবস্থায় আমি মনে করছি পৌর মেয়র আমাকে বকেয়া টাকা পরিশোধ করতে আবারও অঙ্গিকার ভঙ্গের মত আমাকে বিপদে ফেলার ষড়যন্ত্র শুরু করছেন। ইতোমধ্যে সিঙ্গারের কাছে মেয়রের বকেয়া টাকা আদায় করতে না পারায় কোম্পানির উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ আমাকে সাময়িক বরখাস্ত করেছেন। মেয়রের বকেয়া পাওনার সমাধান না হলে আমি চাকরিচ্যুত হতে পারি। এমন অবস্থায় আমরণ অনশন করা ছাড়া আমার সামনে কোন পথ খোলা নেই।

  করোনার মধ্যে বাইরে আড্ডা, নিষেধ করায় সাংবাদিকের বাড়িতে হামলা

সংবাদ সম্মেলনে আগামী রোববার সকালে পৌরসভার প্রধান ফটকের সামনে আমরণ অনশনে বসার ঘোষণা দেন তিনি। মেয়র কর্তৃক বকেয়া পাওনা পরিশোধ না করা পর্যন্ত অনশন চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

উল্লেখ্য, পৌর মেয়র আমজাদ হোসেন সরকার বিভিন্ন সময় গত ১০ বছরে ঠাকুরগাঁওসহ সৈয়দপুর শহরে বিভিন্ন ব্যবসায়ীর নিকট সোনার গহনা, শীতবস্ত্র, শাড়ী-কাপড়, শীতাতপ যন্ত্র (এসি), ফ্রীজ, টিভি ও ওভেনসহ বিভিন্ন পণ্য বাকিতে নিয়ে অনেক ব্যবসায়ীকে সর্বশান্ত করেছেন।


শেয়ার করুনঃ
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *