নিজস্ব সংবাদদাতা, ময়মনসিংহ; জেলার  ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলায় এক তরুণীকে দলবেঁধে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে দুই বৃদ্ধসহ তিনজনের বিরুদ্ধে। গত রবিবার (০৩ মে ২০২০)  মধ্যরাতে উপজেলার মাইজবাগ ইউনিয়নে এ ঘটনা ঘটে।

গতকাল সোমবার (০৪ মে ২০২০)  দুপুরে অভিযান চালিয়ে ওই দুই বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

অভিযোগ থেকে জানা যায়, ওই তরুণী মাইজবাগ ইউনিয়নের একটি গ্রামের বাসিন্দা। বিয়ে হলেও স্বামী পরিত্যক্তা হয়ে বাবার বাড়িতে বসবাস করেন তিনি। মানসিক সমস্যা থাকায় ওই তরুণী প্রায়ই রাতের বেলা বাইরে চলে যেতেন। পরে পরিবারের লোকজন তাকে খুঁজে বাড়ি নিয়ে যেতো।

গত রবিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে ওই তরুণী বাড়ি থেকে বের হয়ে বাড়ির কাছেই বটতলা বাজারের চলে যান। রাতে তরুণীকে একা পেয়ে জোর করে তাকে পাশের ইটভাটার দক্ষিণ দিকের একটি স্থানে নিয়ে যান বাজারের নৈশপ্রহরী আবদুল মান্নান (৫৬), নূরুল ইসলাম (৪৫) ও আবদুল বারেক (৫৮) নামে আরেক ব্যক্তি। সেখানে তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন তারা তিনজন।

এ সময় তরুণীকে খুঁজতে আসা বাবা টর্চের আলো ফেললে অভিযুক্তরা পালিয়ে যান।

অভিযুক্ত তিনজনই ভাসা গোকূল নগর গ্রামের বাসিন্দা। মান্নান ও নূরুল ইসলাম নৈশপ্রহরী হিসেবে কাজ করলেও বারেক বাজারে ঘুরতে গিয়েছিলেন।

পরদিন গতকাল সোমবার বেলা ১১টার দিকে ঈশ্বরগঞ্জ থানায় মেয়েকে নিয়ে গিয়ে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীর বাবা। পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযানে চালিয়ে বাজারের নৈশপ্রহরী আবদুল মান্নান ও ভাসা গ্রামের আবদুল বারেককে গ্রেফতার করা হয়। অভিযুক্ত আরেক নৈশপ্রহরী নূরুল ইসলাম পলাতক রয়েছেন।

ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোখলেছুর রহমান আকন্দ বলেন, বটতলা বাজারের নৈশপ্রহরীরা মিলে ইটভাটার পাশের একটি স্থানে নিয়ে মেয়েটিকে ধর্ষণ করে। অভিযান চালিয়ে দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যজনকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

আমাদের বাণী ডট কম/০৫ মে ২০২০/ভিএ 

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।