নোমান ইবনে বাশার , ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় সংবাদদাতা, কুষ্টিয়া; ঔষধের বাণিজ্যিক নাম ব্যবহার করে ওষুধ কোম্পানিগুলো। বিভিন্ন কোম্পানির ভিন্ন ভিন্ন দাম। এর ফলে প্রতারিত হচ্ছে সাধারণ মানুষ। এজন্য বাণিজ্যিক নাম ব্যবহার না করে জেনেরিক নাম ব্যবহার করতে রুল জারি করেছে ছায়া আদালত।
গতকাল শনিবার (২২ ফেব্রুয়ারী ২০২০) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশীপ শেষে ছায়া আদালত চলাকালে এ রুল জারি করেন বিচারকগণ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের মাননীয় বিচারক চাঁদ মোহাম্মাদ আব্দুল আলীম। ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ, চিফ জুডিশল্ ম্যাজিস্ট্রেট (সিজেএম) মোঃ হাসানুজ্জামান, যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ মাসুদ আলী।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় জুরিস্টিক ক্লিনিক জনস্বার্থে মামলাটি দায়ের করলে আদালত এ রুল জারি করে। এসময় ওষুধের জেনেরিক নাম ব্যবহার করার জন্য বেশ কিছু নির্দেশনাও দেন ছায়া আদালত।
জুরিস্টিক ক্লিনিকের পক্ষে রিটটি করেন ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের (এলএলবি) শিক্ষার্থী আনোয়ার হোসেন, আয়েশা ও নাইমুর রহমান। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষের হয়ে লড়াই করেন নোমান ইবনে বাশার, সাদিয়া আফরিন খান ও নিশাত ইসরাত জাহান।
বিভাগের অধ্যাপক, জুরিস্টিক ক্লিনিক ইবির স্বপ্নদ্রষ্টা ও পরিচালক ড. জহুরুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠানে অ্যাডভোকেট আব্দুল আজিজ, অ্যাডভোকেট আবু তালেব সহ ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের সব শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ইবির আইন বিভাগে প্রথমবারের মতো ইন্টার্নশিপ ব্যবস্থা চালু হয়েছে। বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহনে ঝিনাইদহ জেলা জজ কোর্টে ১৫ দিন ইন্টার্ণশিপের সুযোগ পায় তারা। শনিবার মুটিংয়ের মাধ্যমে শেষ হলো তাদের ইন্টার্ণশিপ ও স্নাতকের শিক্ষাজীবন।
আমাদের বাণী ডট কম/২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০/দিওএম
