বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের প্রতিষ্ঠাতা ফজলে হাসান আবেদের কুলখানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ উপলক্ষে শুক্রবার আসরের নামাজের পর গুলশানে আজাদ মসজিদে আয়োজিত মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন দেশের বিশিষ্টজন এবং ফজলে হাসান আবেদের পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা।
ফজলে হাসান আবেদের স্মৃতিচারণা করে উপস্থিত সুধীজনের পক্ষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন সর্বজন শ্রদ্ধেয় জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘আমার বন্ধু ফজলে হাসান আবেদ এক জীবনে যা অর্জন করেছে তার তুলনা করা যায় না। সে ব্র্যাককে পৃথিবীর মধ্যে অগ্রসর বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছে। এটি কোনোভাবেই সামান্য কাজ নয়।’
আনিসুজ্জামান বলেন, ‘ফজলে হাসান আবেদ দেশ-বিদেশে এত যশ, সম্মান, স্বীকৃতি-পুরস্কার পেয়েও অত্যন্ত বিনয়ী ছিলেন। তাঁর বড় অবদান হচ্ছে—একটি জনহিতকর প্রতিষ্ঠান চালু করার পর সেটাকে এগিয়ে নিতে আরো কয়েকটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা। তাঁর গড়া প্রতিটি প্রতিষ্ঠানই জনকল্যাণে নিবেদিত। তাঁর মধ্যে কোনো অহংকার ছিল না। তিনি চলে গেলেও তাঁর সৎকর্ম রেখে গেছেন, যা তাঁকে স্মরণীয় করে রাখবে।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম এ মোমেন বলেন, ‘তাঁর প্রয়াণ বাংলাদেশের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। অবহেলিত মানুষের শিক্ষা, চিকিৎসা ও স্বাবলম্বিতা অর্জনের ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী তাঁর যে অবদান, তাই তাঁকে চিরস্মরণীয় করে রাখবে।’
পরিবারের পক্ষে মরহুমের জামাতা ও ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘স্যার ফজলে সবার কথা মনোযোগ দিয়ে শুনতেন। পরিবারের সদস্য বা সহকর্মী সকলের ইচ্ছা-অনিচ্ছা, ব্যক্তিসমস্যাকেও তিনি গুরুত্ব দিতেন।’
