রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলায় শৈত্যপ্রবাহ জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। মানবতার জীবন কাটছে ছিন্ন মুলের প্রায় ২০ হাজার মানুষের।যার অধিকাংশের বসবাস চরাঞ্চলে। এসব মানুষদের শীত নিবারনের বস্ত্র না থাকায় ঘরে বসে দিন কাটছে।কেউবা আগুন জ্বালিয়ে নিবারন করছে শীতের তীব্রতা। এতে কৃষি ক্ষেত্র সহ বিভিন্ন কর্মস্থলে দেখা দিয়েছে শ্রমিক সংকট।

সরেজমিন পশ্চিমহরিনবাড়ীয়া এলাকায় কথা হয় সাবানদার মেম্বরের সাথে। তিনি জানান,তীব্র শীতে শরীর হিম হয়ে আসছে। তাই কেউ কাজে যাচ্ছে না। প্রতিবছর শীতার্তদের মাঝে সরকার কম্বল বিতরন করতো। এবছর তাও দেখছি না।

লস্করদিয়া এলাকায় কথা হয় স্কুল শিক্ষক আনোয়ার হোসেনের সাথে। তিনি জানান,শীতে বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপস্থিতী কমে গেছে।

কালুখালীর কালিকাপুর ইউনিয়নের সদস্য বিল্লাল মন্ডল জানায়,প্রতিদিন শীতার্ত মানুষের দুর্দশা নিয়ে কথা আসছে। তাদের চাওয়া ১ টি করে কম্বল। কিন্তু সরকারী বরাদ্দ না পাওয়ায় দিতে পারছি না।
দিনভর ঘন কুয়াশার সঙ্গে প্রচণ্ড শীত দেখা দিয়েছে সর্দি কাঁশিসহ নানা রোগ। ফলে কমিউনিটি ক্লিনিকগুলোতে রোগীর ভীড় লেগেই আছে।

পশ্চিমহরিনবাড়ীয়া কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি মিতু জানান, হঠাৎ করে সর্দি কাঁশি ও জ্বরের রোগী বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে ওষুধ সংকট হতে পারে। বিষয়টি উদ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করেছি।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।