১৭ ডিসেম্বর, ২০১৯।। কুষ্টিয়া কুমারখালী থানার চাপড়া ইউনিয়নের নানা অনিয়মের মধ্যে দিয়ে চলছে ছেঁউড়িয়া চাপড়া -১ কমিউনিটি ক্লিনিকটি বলেছেন ভুক্তভোগী জনগন। ‘কমিউনিটি ক্লিনিকে সীমাহীন অনিয়ম, সেবাবঞ্চিত সাধারণ জনগণ।
এ বিষয়ে অনুসন্ধান করতে গেলে ছেঁউড়িয়া চাপড়া-১ কমিউনিটি ক্লিনিকটি বন্ধ পাওয়া গেছে । কেন বন্ধ আছে প্রশ্ন এসে যায় যে ইউনিয়নে বসবাস করে হাজার মানুষের কমিউনিটি ক্লিনিকের দায়িত্বরত শাহীনের একটি ব্যক্তিগত ফার্মেসী আছে। সেখানে সে সময় দেয় এই কারণে তার প্রতিদিন কর্মস্থলে আসতে বিলম্ব হয় । এছাড়া অভিযোগ রয়েছে- নিজেদের খেয়াল-খুশিমতো ক্লিনিক খুলে কিছুক্ষণ বসে তালাবদ্ধ করে চলে যান শাহীন। এছাড়াও প্রত্যন্ত অঞ্চলের রোগীদের বিনামূল্যে ৩০ প্রকার ওষুধ দেওয়ার কথা থাকলেও দেওয়া হচ্ছে না কাউকে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ইউনিয়ন একজন বাসী নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনন্য উদ্যোগ হচ্ছে সারাদেশের কমিউনিটি ক্লিনিক। প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের সেবা নিশ্চিতের লক্ষ্যেই এ কমিউনিটি ক্লিনিক চালু করা হয়। এ ব্যাপারে অনিয়ম কোনভাবেই মেনে নেওয়া হবে না। কর্তব্যরত কমিউনিটি ক্লিনিকের দায়িত্বে থাকা শাহীন সাধারণ মানুষের সাথে খারাপ ব্যবহার করে এবং প্রতি মাসে ১৫ তারিখের পর বলে ঔষধ শেষ আজ আর হবেনা।
এলাকাবাসী জানান, আমরা শুনতে পাই আমাদের সরকার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কমিউনিটি ক্লিনিক গুলিতে অনেক ঔষধ বরাদ্দ দিয়েছেন কিন্তু ঔষধ গুলো যাচ্ছে কোথায়। সাধারণ জনগণের অভিযোগ কমিউনিটি ক্লিনিকের দায়িত্বরত শাহীন তার ব্যক্তিগত ফার্মেসীতে ওষুধগুলো পাচার করে থাকে। এই কারণেই প্রতি মাসের ১৫ তারিখের পরে কমিউনিটি ক্লিনিকে ওষুধ পাওয়া যায় না।
এ বিষয়ে কর্তব্যরত কমিউনিটি ক্লিনিকে সাংবাদিকরা গেলে জানান, আমি নিয়মিত অফিস করি প্রতি দিন ঔষধ দিই। মানুষের সাথে খারাপ ব্যবহারের ব্যপারে জানতে চাইলে তিনি বলেল, একা অফিস করাতে মানুষ মাত্রা ছাড়া বিরক্ত করে তাই একটু এমন তেমন হয়ে যায়।
