বরগুনা সদর উপজেলার দক্ষিন লতাবাড়িয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসাটি ২০১৯-২০ অর্থ বছরে এমপিওভুক্তির তালিকাভূক্ত হওয়ায় দুহাতে টাকা কামাচ্ছে মাদ্রাসার সভাপতি আলহাজ দারুল ইসলাম (মাষ্ঠার) ও সুপার কামরুজামান সাইদ।

এমন অভিযোগের ভিত্তিতে পরিচয় গোপন করে ছদ্মবেশে চাকরি প্রার্থী নিয়ে মাদ্রাসার সভাপতি দারুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান প্রতিষ্ঠানে বেতন ভাতা না থাকায় অনেক পদ শুন্য আছে সেগুলোকে পূর্ন করতে হবে। আপনাদের প্রার্থীকে পিছনের তারিখে (২০০০/২০০৪ সালে) নিয়োগ দিয়ে দেয়া হবে। কিভাবে নিয়োগ দিবেন এমন প্রশ্ন করলে তিনি বলেন সেটা আমাদের বিষয়। নতুন প্রতিষ্ঠানে একটু হেরফের করতেই হয়।

মাদ্রাসার সুপার কামরুজামান সাইদ বলেন, সভাপতি যদি বলে তাহলে আমি নিয়োগ দিয়ে দিতে পারব । আমার কাছে পুরানো পত্রিকার বিজ্ঞাপন সহ নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে যে সকল কাগজ পত্র প্রয়োজন সব কিছুই আছে । তিনি বেশ কয়েকটি পদে নতুন নিয়োগ দিয়েছেন বলে স্বীকার করেছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রতিষ্ঠানের একাধিক শিক্ষার্থী জানান, তাদের প্রতিষ্ঠান সরকারি (এমপিওভুক্ত) হওয়ার পর তাদের প্রতিষ্ঠানে নতুন অনেক শিক্ষক এসেছে। সহকারী শিক্ষক গোলাম কবির ও কুলসুম, ইব: প্রধান মিজানুর রহমান, কনু, আ: আউয়াল (এমএলএসএস) কে নতুন দেখছেন শিক্ষার্থীরা। নতুন নিয়োগ দেয়া শিক্ষক কর্মচারী হয়তো এখনো অনেকে যোগদান করেননি।

পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের জন্য সুপার কামরুজ্জামান সাঈদ এর কাছে সাক্ষাত্কার চাইলে তিনি সাংবাদিকদের ম্যানেজের চেষ্টা করেন। বরগুনা সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো: জামাল উদ্দিন বলেন, প্রতিষ্ঠানটিতে অনেক অনিয়ম আছে। আমি জানলেও আমার কিছু করার নেই। প্রতিষ্ঠান যাচাই বাছাই হবে ঢাকা বসে।

অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বরগুনা, মোঃ নুর হোসেন সজল বলেন, আপনারা জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ প্রদান করুন আমরা তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করব। সৌজন্যে বিডি টুডে

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।