সম্প্রতি প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপে অনুষ্ঠিত সরকারী প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁস এবং প্রশ্নফোঁসের মহাৎসবও বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ না করতে আবরো কঠোর আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছে ‘বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংগ্রাম পরিষদ’। শনিবার বিকেলে সংগঠনের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন স্বাক্ষরিত এক সংবাদত বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রথম পর্যায়ে গত ২৪ মে ২০১৯ তারিখে সরকারী প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগেই বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্ন ফাঁসের খবর ছড়িয়ে পড়ে, পরবর্তীতে বিষয়টির সত্যতা বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে নিশ্চিত হওয়া যায়। অনুরূপভাবে গত ৩১ মে ২০১৯ তারিখে দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষায় প্রশ্ন ও প্রশ্নফাঁসের খবর সামাচিজক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যা তাৎক্ষণিকভাবে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকের অনলাইন সংস্করণে আমাদের দৃষ্টি গোচর হয়। প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে বেশকিছু অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয় এবং অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় শাস্তিও প্রদান করা হয়। কিন্তু অত্যান্ত পরিতাপের বিষয় ফাঁস হওয়া প্রশ্নের পরীক্ষা বাতিল করা হবে কি না বা পরবর্তী করণীয় কি হবে সে সম্পর্কে কতৃপক্ষকে কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে দেখছি না। ফাঁস হওয়া প্রশ্নের পরীক্ষাকে মেনে নেয়ার অর্থ নৈতিকতার চরম অবক্ষয় বলে মনে করে শিক্ষার্থী ও চাকরীপ্রার্থীরা।
বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, ‘বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংগ্রাম পরিষদ’ এমন অবস্থাকে কখনোই সমর্থন করে না। ফাঁস হওয়া প্রশ্নে পরীক্ষা বাতিল না হওয়ায় ‘বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংগ্রাম পরিষদ’ এর পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জ্ঞাপন করছি। আমরা দৃঢ়ভাবে বলতে চাই, প্রশ্নফাঁসের সাথে জড়িত সকলকে অবিলম্বে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে হবে এবং প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষা আবারো নিতে হবে। পাশাপাশি প্রশ্নফোঁসের মহাৎসবও বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণেরও আহ্বান জানাচ্ছি। অন্যথায় বাংলার ছাত্রসমাজ এবং চারকীপ্রার্থীরা যৌথ প্রতিবাদের মাধ্যমে তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।
