জাহিদুর রহমান তারিক, ঝিনাইদহ জেলা সংবাদদাতা; জেলার হরিণাকুণ্ডু উপজেলার পারর্বতীপুর গ্রামের সুইটি খাতুন নামের এক কলেজ পড়ুয়া ছাত্রীকে নিজ ঘরে প্রবেশ করে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে, এসময় ধর্ষণ চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে বেধড়ক মারপিট করারও অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী ঐ ছাত্রী পারবর্তীপুর স্কুল এন্ড কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী।

এ বিষয়ে  কলেজ ছাত্রীর মা হাজেরা খাতুন বলেন, আমি দুপুর বেলা গ্রামীণ ব্যাংক এর কিস্তির টাকা পরিষদের লক্ষে বাড়ি থেকে বাইরে যাই এই সুযোগে আমার বাড়িতে প্রবেশ করে আজগর আলী ও সুজন মিয়া আমার মেয়েকে একা পেয়ে কুরুচিপূর্ণ কথাবার্তা বলে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়।

তিনি আরও জানান, সুইটি খাতুনের শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিয়ে  টানা হেচড়া করে। এমন সময় বিপ্লব অন্যান্যদের সহযোগিতায় ভিকটিমের শরীরের উপর উঠে ধর্ষনের চেষ্টা করে। ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তাদের যৌন লালসা মেটাতে না পারায় ক্ষুদ্ধ  হয়ে লোহার রড দিয়া বিপ্লব দুই হাতে পিঠে আঘাত করে চাপা জখম করে।

এসময় সুজন তার হাতে থাকা লোহার রড দিয়ে বাম পায়ে এলোপাতাড়ি আঘাতম করে এমন সময় স্থানীয় রোজদার আলীর নাবালিকা কন্যা রাবেয়ার চেচামেচিতে স্থানীয়রা এসে তাকে উদ্ধার করে হরিণাকুণ্ডু স্বাস্থ্য কমপ্রেক্সে ভর্তি করে।

এ ব্যাপারে পৌর মেয়র শাহিনুর রহমান রিন্ট জানান, হাজেরা আমার নিকট অভিযোগ দিতে এসছিল বিষয়টি সঠিক তদন্ত করে আইনানুগ ব্যাবস্থা নেয়া হবে।

স্থানীয় প্যানেল মেয়র খাইরুল ইসলাম জানান, আমি বিষয়টি লোকমুখে ও হাজেরার নিকট শুনিয়াছি তাছাড়া বাজারেও বলাবলি হচ্ছে বিষয়টির সঠিক তদন্ত করে আইনানুগ ব্যাবস্থা নেয়া হোক বলে আমি মনে করি।

এছাড়াও স্থানিয়দের নিকট জানতে চাইলে তারা বলেন ওদের দুপক্ষের মাঝে ঝগড়া বিবাদ আছে একে অন্যর নিকট মামলা মোকাদ্দামাও চলছে তবে শুনেছি এ ব্যাপারে কলেজ পড়ুয়া সুইটি খাতুনকে সামান্য মারধর করেছে বিপ্লব সহ অন্যরা।

এ ব্যাপারে বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল ঝিনাইদহে একটি মামলা হইয়াছে।

অভিযুক্ত বিপ্লব হোসেনর (২৬) পিতা সাবেক কমিশনার মোঃ আনিচুর রহমান মিয়া জানান,পুর্বের শত্রুতার জেরে হাজেরা খাতুন আমাদের নামে মিথ্যা মামলা করার জন্য  তার মেয়েকে দিয়ে নিজে নিজের জামা কাপড় ছিড়ে অভিযোগ করেছে বলে শুনিয়াছি। আসলে ঘটনা একেবারে মিথ্যা ও ভিত্তিহিন। তাছাড়া আমি ও আমার সন্তান বিপ্লব সেদিন বাড়িতেই ছিল না। আমি তার আগের রাতে হাজেরার মার খাইয়া হাসপাতালে ভর্তি ছিলাম এবং বিপ্লবও আমার সাথে ছিল। আর ওরা দুজন ছিল পুকুরে।

তবে এ বিষয়ে হরিনাকুন্ড থানা পুলিশের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

আমাদের বাণী ডট কম/২৭ মার্চ ২০২০/ডিএ

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।