
নিজস্ব সংবাদদাতা, শরীয়তপুর ; করোনা উপসর্গ নিয়ে জেলার সদর হাসপাতালের আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন থাকা কালীন অবস্থায় সুকান্ত কর্মকার (৩৪) নামক এক যুবক মারা গেছেন। গতকাল মঙ্গলবার (০৭ এপ্রিল ২০২০) সুকান্ত কর্মকারকে জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট নিয়ে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়ছিলো।
আজ বুধবার (০৮ এপ্রিল ২০২০ ) বিকাল পৌনে ৪ টার দিকে তিনি মারা যান বলে জানিয়ে সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
নিহত সুকান্ত কর্মকার জেলার নড়িয়া উপজেলার ডিঙ্গামানিক ইউনিয়নের অনিল কর্মকারের পুত্র।
সদর হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা. মুনির আহমেদ জানান, ওই যুবক অনেক অসুস্থ ছিলো। আইসোলেশন ওয়ার্ডে একজন চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা চলছিলো। করোনা সন্দেহে তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। নমুনা সংগ্রহ করে বুধবার আইইডিসিআরে পাঠানো হয়েছে।
যেহেতু শ্বাসকষ্ট ছিল একই সাথে তিনি ইতালি অধ্যুষিত নড়িয়া উপজেলার বাসিন্দা তাই করোনা ভাইরাস থাকতে পারে এমন ধারণা করে তাকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছিল। ভর্তি পর থেকে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। এক পর্যায়ে তিনি বিকাল পৌনে ৪টার দিকে মারা যায় এছাড়া ডব্লিউএইচও এর নিয়ম অনুযায়ী সৎকার করা হবে।
উল্লেখ্য, বিশ্বব্যাপী দাবানলের মত ছড়িয়ে পরা প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে দেশে গত ২৪ ঘন্টায় ৯৮১ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে যার মধ্যে ৫৪ জন আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২১৮ জনে। নতুন করে আরও ৩ জন মারা গেছেন এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ২০ জনে। মোট ২১৮ জন আক্রান্তের সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩৩ জন আর মারা গেছেন ২০ জন সব মিলিয়ে এখন চিকিৎসাধীন আছেন ১৬৫ জন।
আজ বুধবার (০ ৮ এপ্রিল ২০২০) দুপুর আড়াই টায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) এর পরিচালক ডা. মরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা একথা বলেন। এ সময় সামগ্রিক বিষয় নিয়ে আলোকপাত করেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডাঃ আবুল কালাম আজাদ এর প্রতিনিধি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) অধ্যাপক ডাঃ সানিয়া তাহমিনা।
আমাদের বাণী ডট কম/০৮ এপ্রিল ২০২০/পিপিএম
