দিনাজপুর সংবাদদাতা; নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, দেশের ৯৫ ভাগ মানুষ সরকারের সিদ্ধান্ত অনুসরণ করছে। ফেরিঘাটের এক হাজার, দুই হাজার বা পাঁচ হাজার মানুষ দেখে বাংলাদেশকে মূল্যায়ণ করা যাবে না।
- আজ শনিবার (৩০ মে ২০২০) দিনাজপুরের বিরল উপজেলায় করোনা পরিস্থিতি নিয়ে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
নৌ-প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ কার্যক্রমের সাথে জড়িত সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকতে হবে। ত্রাণ কার্যক্রমের তালিকায় থাকা কোন নাম যেন বাদ না যায় সে বিষয়ে আরো সজাগ থাকার পরামর্শ দেন।
- তিনি বলেন, বর্তমানে দেশের কানেক্টিভিটি খুবই স্ট্রং, এক্ষেত্রে ফাঁকি দেয়ার সুযোগ নেই। ত্রাণ কার্যক্রম নিয়ে অনেকে অহেতুক বিতর্ক করেছে। অনেকের নগদ বা বিকাশের অ্যাকাউন্ট নাই। তাই দোকানের বা নিরাপদ কারো নাম্বার দেয়া হয়েছে। তাদেরকে তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়নি।
তিনি বলেন, ভ্যানওয়ালা বা জুতা সেলাই যে করে তার কিন্তু বিকাশ নাম্বারের দরকার নেই; যদি না তার কোন সন্তান বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে।
খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, প্রধানমন্ত্রী মসজিদ, কওমি মাদ্রাসা ও খেটে খাওয়া মানুষদের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ করেন। তার এসব কার্যক্রম স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
এদিকে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মিত হেলথ বুলেটিনের সর্বশেষ (৩০মে ২০২০) তথ্য অনুযায়ী,গত ২৪ ঘণ্টায় ৫০টি ল্যাবের মধ্যে নমুনা সংগ্রহ করেছি ১ হাজার ৪৪৩টি। নমুনা পরীক্ষা করেছি ৯ হাজার ৯৮৭টি গতকাল নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল ১১ হাজার ৩০১টি। এ পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ২ লাখ ৯৭ হাজার ৫৪টি নমুনা। ২৪ ঘণ্টায় এই সংগৃহীত নমুনা থেকে শনাক্ত রোগী পেয়েছি ১ হাজার ৭৬৪ জন। এ পর্যন্ত করোনাভাইরাসে শনাক্ত হয়েছে ৪৪ হাজার ৬০৮ জন। শনাক্তের হার ১৭ দশমিক ৬৬ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুবরণ করেছে ২৮ জন। এ পর্যন্ত মৃত্যু দাঁড়ালো ৬১০ জন। শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৩৭ শতাংশ। সুস্থ হয়েছে ৩৬০ জন। মোট সুস্থ হয়েছে ৯ হাজার ৩৭৫ জন। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ২১ দশমিক ০২ শতাংশ। মারা যাওয়া ব্যক্তিদের সম্পর্কে জানানো হয়, পুরুষ ২৫ জন ও নারী তিনজন। এদের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ১৮ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের সাতজন, রংপুর বিভাগের দুইজন ও সিলেট বিভাগের একজন। ঢাকা বিভাগের মধ্যে ঢাকা সিটির আছেন ১০ জন। বয়স বিশ্লেষণে জানা যায়, ৩১-৪০ বছরের মধ্যে চারজন, ৪১-৫০ চারজন, ৫১-৬০ নয়জন, ৭১-৮০ তিনজন এবং ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে দুইজন। হাসপাতালে মারা গেছেন ২৬ জন ও বাকি দুজন বাড়িতে। ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে নেয়া হয়েছে ৪৬৯ জনকে। আইসোলেশন থেকে ছাড় দেয়া হয়েছে ৮০ জনকে।
আমাদের বাণী ডট কম/৩০ মে ২০২০/সিসিপি
