নির্মম এ ঘটনাটি বৃহষ্পতিবার বেলা সাড়ে ৩টার সময় নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার শেষ প্রান্ত ছাতারপাইয়া ইউনিয়নের পশ্চিম ছাতারপাইয়া গ্রামে বৈইচার পোলের গোড়া নামক স্থানে ঘটে।
নিহত আবুল কালাম আবু (৫৫) ওই এলাকার মমতাজ মিয়ার ছেলে। তিনি ছাতারপাইয়া বাজারের কাচা তরকারীর ব্যবসায়ী ও ৪ ছেলে ৩ মেয়ে সন্তানের জনক।প্রত্যক্ষ দর্শী ও স্থানীয় লোকজন জানায়, বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ৩টার সময় সোনাইমুড়ী – সেনবাগ সড়কের পশ্চিম ছাতারপাইয়া বৈইচার পোলের উপর একই বাড়ীর মোতালের পুত্র শান্ত (১৪) বসেছিল। এসময় পাশ্ববর্তী বাড়ীর আবদুল খালেকের ছেলে নাছির ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে শান্ত কে এলাকার মুরব্বিদের সামনে সিগারেট খাওয়া নিয়ে শাসনের ছলে নানা রকম কথাবর্তা বলতে থাকে। এসময় বাড়ী ও আশ পাশ থেকে শান্তর বোন সুমি সহ অনেক নারী পুরুষ উপস্থিত হয়। তারা শান্তকে নাছিরের শাসন প্রয়োজনের তুলনা অনেক বেশি অতিরিক্ত বলে শান্তর বোন সুমি তার প্রতিবাদ করে।
ইতিমধ্যে নাছিরের ছেলে শান্ত কাঠের লাঠি নিয়ে তার পিতার সাথে এসে তাল মিলিয়ে তাদের ভাই বোন কে হামলা করে।এ খবর পেয়ে নিহতের পুত্র নুরুল ইসলাম মিন্টু দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে দেখে নাছিরের ও তার পুত্র, তার চাচাতো ভাই বোন কে হামলা করছে। সে তাদের বাঁচাতে এগিয়ে এসে সেও হামলার শিকার হয়। এসময় ঘটনাস্থলে বিপুল সংখ্যক স্থানীয় নারী পুরুষ জড় হয়। লোকজনের চিৎকার শুনে আবুল কালাম আবু ঘর থেকে বের হয়। পথি মধ্যে তার পুত্র মিন্টুকে, নাছির তার পুত্রের উপর হামলা করছে কেউ একজন জানান।
সাথে সাথে তিনি ছেলেকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেন। এ সময় নাছির ও তার পুত্র শান্ত তাকে এলোপাতাড়ি হামলা করলে তিনি মাটিতে লুটে পড়ে যায়। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় ডাক্তারের কাছে নিলে, ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষনা করে।
এসংবাদ ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে শত শত নারী পুরুষ জড়ো হয় ।ছাতারপাইয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদুল রহমান ও স্থানিয় ইউপি সদস্য গোলপের রহমান খবর শুনে নিহতের খোজ খবর নেন।
খবর পয়ে সোনাইমুড়ী থানার ওসি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নোয়াখালীতে মর্গে প্রেরন করে।
