আলমগীর হোসেন প্লাবন, সোনারগাঁ (নারায়ণগঞ্জ) সংবাদদাতা; নভেল করোনাভাইরাসে সংক্রামিত হওয়ার ভয়ে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় লাখ লাখ মানুষ এখন ঘরবন্দি।
ফলে এরই মধ্যে সরকারি নির্দেশনায় লকডাউন হয়ে পড়েছে পুরো এলাকা। ব্যবসা-বাণিজ্য, অফিস-আদালত, যানবাহন চলাচল ও কাজকর্ম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় চিরচেনা ব্যস্ততম এলাকাগুলো এখন জনশূন্য হয়ে পড়েছে।
এ অবস্থায় নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁ) আসনের সংসদ সদস্য, জাতীয় পার্টির অতিরিক্ত মহাসচিব, প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কেন্দ্রীয় সেচ্ছাসেবক পার্টির সভাপতি লিয়াকত হোসেন খোকার পূর্বঘোষিত কর্মহীন, দুঃস্থ ও অসহায় মানুষের মধ্যে চাল, ডাল, আলু, লবণ, তেলসহ খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
বিগত একমাস ধরে পরিচালিত এ কার্যক্রম লকডাউনের কারণে যাতে বন্ধ না হয়ে যায় সেই ব্যাপারে নেয়া হয়েছে ভিন্ন ভিন্ন প্রদক্ষেপ। খোকা সোনারগাঁবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, নিয়ম কানুন মেনে চলুন, নিজ নিজ বাসস্থানে অবস্থান করুন। হটলাইনে ফোন করুন, খাবার পৌছে দিবো বাসায় এ শ্লোগানকে সামনে রেখে চালু করেছেন মাইক্রোবাসে করে খাবার বিতরণ সার্ভিস।
বিগত এক মাস ধরে সাংসদ লিয়াকত হোসেন খোকার পরিচালিত কর্মহীন, দুঃস্থ, অসহায় ও নিম্ন আয়ের পরিবারের মধ্যে চাল, ডাল, লবণ ও আলুসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রী, জীবাণুনাশক, সাবান, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, মাস্ক ও নগদ টাকা বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে গ্রহণ করা হয়েছে স্টিকারযুক্ত এই মাইক্রোবাস সার্ভিস।
উক্ত মাইক্রোবাসের স্টিকারে একাধিক হটলাইন নাম্বার সংযুক্ত করা হয়েছে। হটলাইন নাম্বারে যারাই ফোন করছে তাদের ঘরেই পৌছে দেয়া হচ্ছে খাদ্য সামগ্রী।
এ বিষয়ে লিয়াকত হোসেন খোকা বলেন, আমি সোনারগাঁবাসীকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম করোনাভাইরাস মোকাবেলায় আমরা একসঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবো।
আপনারা ঘরে থাকুন। আপনাদের ঘরে ঘরে আমি খাবার পৌঁছে দিবো। সোনারগাঁয়ে কেউ না খেয়ে মারা যাবে না ইনশাআল্লাহ।
সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে তিনি প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছেন। প্রতিদিন হটলাইনে যারা ফোন দিচ্ছেন তাদের বাসায় মাইক্রোবাসযোগে খাবার পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা করছেন।
এ সময় এমপি লিয়াকত হোসেন খোকা আরও বলেন, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শেষ না হওয়া পর্যন্ত ইনশাল্লাহ বেকার ও ঘরবন্দি মানুষের ঘরে ঘরে আমি খাবার পৌঁছে দেয়ার কার্যক্রম অব্যাহত রাখবো।
আমাদের বাণী ডট কম/০৯ এপ্রিল ২০২০/এভিপি
