এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা বর্তমানে ১০০০ টাকা বাড়ি ভাড়া, ৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা, ২৫% ঈদ বোনাস যা ১৫ বছরেও পরিবর্তন হয়নি। শিক্ষক কর্মচারি কল্যাণ ট্রাস্ট ও অবসর সুবিধা বোর্ডের অতিরিক্ত ৪% কর্তনে শিক্ষক সমাজে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। অবিলম্বে ৪% কর্তন বন্ধসহ শিক্ষকদের বদলি প্রথা চালু করার দাবি জানান বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব মো. আবুল হোসেন।

মুজিব বর্ষেই এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবিতে শুক্রবার সরকারী টিচার্স ট্রেনিং কলেজ ক্যাম্পাসের ফেনী ল্যাবরেটরি হাইস্কুলের অডিটোরিয়ামে জেলার শিক্ষকদের সাথে মতবিনিময় ও আলোচনা সভায় এ দাবি করা হয়।

 বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির ফেনী জেলার সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম বারী’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম রনি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় মহাসচিব মো. মিজবাহুল ইসলাম প্রিন্স।

মুজিব বর্ষে জাতীয়করণ ঘোষণায় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করে বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. নজরুল ইসলাম রনি বলেন, প্রতিষ্ঠানের আয় ফেরত নিয়ে এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ করলে সরকারের রাজস্বের তেমন কোনো ঘাটতি হবে না। শিক্ষকদের বেতন বৈষম্য দূর করতে না পারলে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হবে।

বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব প্রদীপ কুমার দেবনাথ বলেন, বঙ্গবন্ধুর কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা ছাড়া এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান অন্য কেউ জাতীয়করণ ঘোষণা করতে পারবে না।

বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতির প্রেসিডিয়াম সদস্য আলাউদ্দিন মাসটার বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিক্ষা ও শিক্ষক বান্ধব। তার আমলেই শিক্ষকরা সবচেয়ে সুযোগ সুবিধা পেয়েছেন। কাজেই আন্দোলন সংগ্রাম তীব্রতর করার আগেই এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ ঘোষণা করা হলে নতুন ইতিহাস সৃষ্টি হবে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।