কুষ্টিয়ার কুমারখালীর কৃতি সন্তান সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও মুক্তিযুদ্ধের গবেষক ইমাম মেহেদী’র মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক মাঠপর্যায়ের গবেষণাগ্রন্থ ‘১৯৭১ ডাঁশার চাষী ক্লাব যুদ্ধ’ গ্রন্থের প্রকাশনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার বেলা ১১টায় কুমারখালী পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে এই প্রকাশনা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
কুমারখালী উপজেল আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র সামসুজ্জামান অরুণ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থেকে মোড়ক উন্মোচন করেন কুষ্টিয়া-৪, খোকসা কুমারখালীর মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব ব্যারিস্টার সেলিম আলতাফ জর্জ।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে কবি-সাহিত্যিক ও মুক্তিযুদ্ধের গবেষক এবং তরুণ প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস রচনা করার আহবান জানান। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও চেতনাকে ধারণ করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাকে এগিয়ে নেওয়ার নেওয়ার গুরুত্বারোপ করেন। পৌর মেয়র সামসুজ্জামান অরুণ তার বক্তব্যে তরুণ মুক্তিযুদ্ধের লেখক ইমাম মেহেদীকে ধন্যবাদ জানিয়ে সামনে আরো সুন্দর সুন্দর ইতিহাস লেখার জন্য উদ্বুদ্ধ করেন। বিশেষ অতিথি কুমারখালী উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ সমিতির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এটিএম আবুল মনসুর মজনু মুক্তিযোদ্ধাদের পাশাপাশি স্বাধীনতা বিরোধী ও রাজাকারদের ইতিহাস রচনার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন কুমারখালী মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মমতাজ বেগম ও যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মালেক, মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রওশন আরা বেগম নীলা। আলোচক ছিলেন কবি ও কথাসাহিত্যিক সোহেল আমিন বাবু, নাট্যকার ও গবেষক লিটন আব্বাস। আলোচকদের আলোচনায় একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের সময় বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, প্রয়াত সাবেক এমপি গোলাম কিবরিয়া ও প্রয়াত সাবেক এমপি আবুল হোসেন তরুণের বীরত্বপূর্ণ কর্মময় জীবন ও ভূমিকার উপর আলোকপাত করেন। ডাঁশা চাষী ক্লাব যুদ্ধে প্রয়াত গোলাম কিবরিয়ার অস্ত্রসরবরাহ ও মুক্তিযোদ্ধাদের বিভিন্নভাবে সহযোগিতার বিষয় তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন গ্রন্থের লেখক ইমাম মেহেদী অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন প্রভাষক মনিরা বেগম মেরী। এ সময় উপস্থিত ছিলেন যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা সুলতান উদ্দিন আহমেদ, মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিন, সাবাদিক দিপু মালিক, হাবিব চৌহান, এম এ ওহাব, কুমারখালী কলেজের বাংলা বিভাগের প্রভাষক রত্না খাতুনসহ আরো অনেকেই।
