কুষ্টিয়া প্রাণিসম্পদ অফিসে এ আই টেকনিশিয়ান পদে কর্মরত মেহেদী হাসান নামে এক কর্মীর বিরুদ্ধে জাল সার্টিফিকেট দিয়ে চাকরি করার অভিযোগ উঠেছে। জানা যায় মেহেদি হাসান কুষ্টিয়া সদর উপজেলার বেলঘরিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল জলিল মন্ডলের ছেলে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, জন্মগ্রহণ করার পর তার মা-বাবা তাকে হুরুল নামে ডাকতো । হুরুল তেমন লেখাপড়ায় মনোযোগী ছিল না। প্রাথমিক বিদ্যালয় পেরোতে পারেনি সে। বাবার হালের গরু ও মহিষ ছিল, লেখাপড়ায় মনোযোগী না হওয়ায় এই হুরুলকে বাবা গরু মহিষ চরানোর দায়িত্ব দিয়েছিল। বাবার কথা মত হুরুল পরিবারের গরু মহিষ চরানর কাজ বেছে নিয়েছিল । কৈশোর পেরতই নামও পাল্টে যায় হুরুলের, যৌবনে পা দিয়ে হয়ে যায় রুহুল। এলাকাবাসীর রুহুল নামেয় তাকে চেনে। ২০১১ সালে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের অধীনে এ আই কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয় ।

একটি সূত্র জানায়, এরই প্রেক্ষিতে আব্দুল আলিম নামে এক দালাল রুহুলের নাম পাল্টিয়ে, মেহেদী হাসান বানিয়ে দেয়। মেহেদী হাসান নাম দিয়ে তৈরী করে দেয় জাল সাটিফিকেট। মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে ২০১২ সালে এ আই কর্মী পদে নিয়োগ পাইয়ে দেন । নিয়োগ পাবার পরে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার প্রস্তাবিত কাঞ্চনপুর ইউনিয়ন পয়েন্টে যোগদান করেন। ২০১৬ সালে পদ উন্নতি পেয়ে হয়ে যান এ আই টেকনিশিয়ান।

এলাকাবাসী অভিযোগ জানায় প্রাথমিক বিদ্যালয় পেরোতেও পারিনি রুহুল। জাল সার্টিফিকেট তৈরি করে হয়ে গেছে মেহেদী হাসান,
কুষ্টিয়া প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা তদন্ত করলেই বেরিয়ে আসবে রহস্য।

এ ব্যাপারে কুষ্টিয়া জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ সিদ্দিকুর রহমানের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, মেহেদি হাসান নামে এ আই টেকনিশিয়ান কাঞ্চনপুর পয়েন্টে কর্মরত আছে তার বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত পূর্বক তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিজ্ঞাপন হারুন ক্লিনিক

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।