Shadow

সরকারি তিতুমীর কলেজের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী ১ জন

শেয়ার করুনঃ
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

শিরোনাম শুনে কিছুটা অবাক লাগতে পারে। কিন্তু অবাস্তব কিছু নয়। এখন হয়তো মনে প্রশ্ন জাগতে পারে, যদি একজন শিক্ষার্থীই পড়ে বাংলা বিভাগে ‘২০১৮-১৯ সেশনে’, তাহলে বাকিরা কি ঘাস কাটে?

কয়েকদিন আগে হ্যাক হয় সরকারি তিতুমীর কলেজের ওয়েবসাইট। পত্র-পত্রিকায় খবরও প্রচার হয়েছে। পুরো রাত শিক্ষার্থীরা ঢুকতে পারেননি তাদের কলেজের ‘প্রিয় ওয়েবসাইটে’। তারপর এক সাইবার সিকিউরিটি প্রতিষ্ঠানের সহোযোগিতায় দীর্ঘ ১৫ ঘণ্টা পর ওয়েবসাইট পুনরায় চালু করা হয়। চালু বলতে আর কি ‘যেই লাউ, সেই কদু’। ওয়েবসাইট সচল থাকলেও শিক্ষার্থীরা কোনো তথ্য পায় না। আবার হ্যাক হওয়ার পরেও কোনো তথ্য পায়নি। গড়পরতায় একই কথা।

ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে এরই মধ্যে বিভিন্ন প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। ২০২১ সালের লক্ষ্য অর্জনের জন্য দেশের প্রায় প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে দেয়া হচ্ছে নিজস্ব ওয়েবসাইট। শিক্ষার্থীরা যাতে সহজেই তাদের প্রয়োজনীয় সব তথ্য পেতে পারে সে লক্ষ্যেই এ প্রচেষ্টা। আর এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৭ সালের ২৫ অক্টোবর (বুধবার) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান ঢাবির অধিভুক্ত সাত কলেজের (ঢাকা কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি তিতুমীর কলেজ, সরকারি বাঙলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ এবং সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ) জন্য স্বতন্ত্র ওয়েবসাইট উদ্বোধন করেন।

সে সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, রেজিস্ট্রার এবং সাত কলেজের অধ্যক্ষরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সাত কলেজ ভর্তি পরীক্ষার সমন্বয়ক ও ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলাম।

  মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে ইবিতে প্রীতি বিতর্ক প্রতিযোগিতা

কিন্তু আজ প্রায় দু’বছর পেরিয়ে গেলেও তেমন কোনো উন্নতি দেখা যায়নি ওয়েবসাইটগুলোতে। আর এ সমস্যা নিয়ে শিক্ষার্থীরা বাব বার অভিযোগ করলেও কাঙিক্ষত সমাধান পাচ্ছেন না তারা।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বলে লাভ নেই। কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে মাথা ঘামায় না। তারা শুধু আশ্বাসের বাণী শুনিয়েই যায়। কোনো সমাধানের ব্যবস্থা নেয় না।

সরকারি তিতুমীর কলেজের অধ্যক্ষ দেশের বাইরে থাকায় এ ব্যাপারে কথা হয় উপাধ্যক্ষ ড. মোসা. আবেদা সুলতানার সাথে। তিনি বলেন, ওয়েবসাইটের ব্যাপারে আমি অবগত নই। তবে বিষয়টি আমরা খোঁজ নিয়ে দেখবো। যদি এমন হয়ে থাকে, সেক্ষেত্রে ব্যবস্থা নেব।

শেয়ার করুনঃ
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *