বিহ্বল
আইনুল হোসেন সানু
পূর্ণ-তা চাই
দু’ হাত বাড়াই অস্পৃশ্য তায়
দিশা না হারায় শূন্য
জেনেও শূণ্যে —
দু’ পা’ মাড়ায়
সেই পথে ধাই খুঁজে বেড়ায়
দেখতে যে’ চাই যেথা’ য় পড়ে
তারই পদ চিহ্ন
রই চেয়ে রই
তীক্ষ্ণ পলক তোমার পানে,
তৃষিত আঁখি
একাগ্র প্রাণে সব ভুলে যায়
কোন সে’ গানে ….
করো না’ গ্রহন’
দাও ফিরিয়ে তিরস্কারে
আশা হত হই অশ্রু জলে নিগ্রহে ঐ
আনুপ্ত মোহে ফিরি নিরাশ
একা অনমনে —
নিমজ্জিত মন
রও যে’ ডুবে, কোন খেয়ালে
সারাক্ষণ ঐ সুদূরের
আরোহী সে’ কোন জ্ঞানে
ভাব সাগরের অতুল গ্রহে প্রহরী’ হই
অতন্দ্র মনে রই পাহারা
প্রাণপণে,
ভাবছো
সেকি’ তবে আমায় নিয়ে ? হেসে
পলক ফেলি, নিমগ্নতায় সাজি
যেন’ বোকার সাজে —
স্পর্শে তোমার
চোক্ষু মুদি উচ্ছাসে তে
দু’ চোখ’ ভরে গভীর জলের
অনুভবের একাকগ্রহে —
বলতে পারো ?
ভাসাও কেন’ এমন করে ?
মন টা’ দোলে দো’ টানে উজান
ভাটি অন্তরে, হাবুডুবু খাই উল্টো স্রোতে
এক নিমেষেই যাই ভুলে সব ডুবি তখন
সুপ্ত হৃদয় বন্দরে —
