ডেস্ক রিপোর্ট, ঢাকা; গত ২৪ শে জানুয়ারী ২০১৯ বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) শিক্ষক নিয়োগের সবচেয়ে বড় কার্যক্রম হাতে নিয়ে প্রায় ৩১৫০০ শিক্ষক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সুপারিশ করে। এর মধ্যে ৩০০ শিক্ষক মহিলা কোটার জন্য দেড় বছর যাবৎ এমপিও ভূক্ত হতে পারেনি। প্রার্থীরা জটিলতা নিরসনের জন্য এনটিআরসিএ, অধিদপ্তর ও মন্ত্রনালয় আবেদন দাখিল করলে ভূক্তভোগীদের তালিকা অধিদপ্তরের মাধ্যমে কয়েক দফায় যাচাই বাচাই করে সংগ্রহ করে এনটিআরসিএ।
আমরা বার বার এনটিআরসিএ গেলে তারা বলে মন্ত্রনালয় আদেশ দিলেই আমরা এই সমস্যা সমাধান করতে পারবো। তাই আমরা ৩০০ শিক্ষক হতাশ হয়ে বার বার মন্ত্রনালয় যাই। এবং আমাদের সমস্যার কথা গুলো তুলে ধরি। আমাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে আবেদন যাচাই বাচাই করে, গত ৯.৯.২০১৯ মহিলা কোটার ভূক্তভোগীদের সমন্বয় করোনের জন্য এনটিআরসিএ ও অধিদপ্তর কে নির্দেশ দেয় মন্ত্রনালয়। কিন্তু আমরা বার বার এনটিআরসিএ ও অধিদপ্তরে গেলে কেউ সমাধান দেয়নি বরং এনটিআরসিএ বলছে অধিদপ্তর দিবে আর অধিদপ্তর বলছে এনটিআরসিএ দিবে এভাবে কেটে গেলো এক বছর। বিষয় টি আমরা মন্ত্রনালয় জানালে গত ২৭ জানুয়ারী ২০২০ মন্ত্রনালয় এনটিআরসিএর চেয়ারম্যান ও অধিদপ্তরের মহাপরিচালকদের নিয়ে ভূক্তভোগীদের জটিলতা নিরসনকল্পে মিটিং করে।
দীর্ঘ দিন মিটিং হয়ে গেলে ও সমাধান না আসাতে সুপারিশ প্রাপ্ত মহিলা কোটার জটিলতায় পড়া শিক্ষকরা হতাশ হয়ে পরে।এবং বার বার এনটিআরসিএ, অধিদপ্তর ও মন্ত্রনালয় যেতে থাকে।
অবশেষে গত ১লা জুন ২০২০ মন্ত্রনালয় মহিলা কোটার জন্য এমপিও বঞ্চিত ৩২৪ শিক্ষককে সুপারিশ প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের নিকটবর্তী অন্য প্রতিষ্ঠানে নতুন ভাবে পরবর্তী নিয়োগ চক্রের চাহিদা গ্রহনের পর সুপারিশ করার জন্য নির্দেশ প্রদান করে। কিন্তু আদেশ বাস্তবায়নে কালক্ষেপন হওয়াতে সুপারিশ প্রাপ্ত শিক্ষকদের মনে আবার অনিশ্চয়তার দেখা দিয়েছে।
দেড় বছর এমপিও বঞ্চিত থাকার পর মন্ত্রনালয়ের আদেশ বাস্তবায়নে কেন কালক্ষেপন? ইতোমধ্যে এনটিআরসিএ পরবর্তী শিক্ষক নিয়োগের জন্য প্রায় ৫৮ হাজার শূন্য পদের চাহিদা সংগ্রহ করেছে এবং ভূক্তভোগীদের তালিকা ও সংগ্রহ করেছে। এনটিআরসিএর সুপারিশ পেয়ে অনেকেই নতুন স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিলো কিন্তু তারা হতাশা ছাড়া আর কিছুই পেলো না। মেধায় নিয়োগ পেয়েও কেন এতো ভোগান্তি হবে? বিনা বেতনে আর কতো মানবেতর জীবন যাপন করতে হবে , তাই এই আদেশ আর কালক্ষেপন না করে অতি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য মহিলা কোটার জটিলতায় পড়া শিক্ষকরা শিক্ষা মন্ত্রী, শিক্ষা সচিব ও এনটিআরসিএর চেয়ারম্যানের দৃষ্টি আকর্ষন করছে। দীর্ঘ দিনের হতাশা থেকে তাদের মুক্তি দিতে আকুল আবেদন জানিয়েছে।
এমপিও বিহীন শিক্ষকদের পক্ষে (মহিলা কোটার কারনে)
মোঃরাসেল
সহকারি শিক্ষক (কৃষি)
হামিদপুর হামিদিয়া দাখিল মাদ্রাসা
চরফ্যাসন ভোলা।
আমাদের বাণী ডট কম/১৩ জুন ২০২০/ডিএ
